প্রতিদিন ২ জিবি ইন্টারনেট ফ্রি পাবে শিক্ষার্থীরা!

চলমান ম’হামা’রি ক’রোনা পরিস্থিতির কারণে বন্ধ রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিকল্প হিসেবে অনলাইনে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম।

কিন্তু সেখানেও আছে সমস্যা। টাকার অভাবে দরিদ্র শিক্ষার্থীরা ডেটা কিনতে পারছেন না। ফলে অনলাইন ক্লাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অনেকেই।

ডেটার অভাবে যেন ক্লাস করা থেকে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত না হোন তাই ফ্রিতে ডেটা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের তামি’লনাড়ু্র মুখ্যমন্ত্রী পালানিস্বা’মী। বলেছেন সব শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূ’ল্যে ইন্টারনেট সেবা।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোকে পালানিস্বা’মী বলেছেন, শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন দুই জিবি করে ডেটা দেওয়া হবে। রাজ্যর ৯ লাখ কলেজপড়ুয়া এ সুবিধা পাবেন। আগামী এপ্রিল পর্যন্ত চলবে ভারতের দক্ষিণের রাজ্য স’রকারের এ বিশেষ স্কিম।

ক’রোনার কারণে তামি’লনাড়ুর একাধিক স’রকারি কলেজের পাশাপাশি আর্টস, সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং, পলিটেকনিক কলেজে এ মুহূর্তে অনলাইন ক্লাস চলছে। ক’রোনা পরিস্থিতির কথা বিচার করেই এ সি’দ্ধান্ত নিয়েছে তামি’লনাড়ু স’রকার।

সকালে ওঠে স’ঙ্গীকে আদর করলে যা হয়, শুধু মাত্র বিবাহতিদের জন্য

বলা হয় মর্নিং সে’ক্স মানেই মন ভাল করা সকাল। সদ্য ওঠা সূর্যের আলোয় জানলার পর্দা সরিয়ে স’ঙ্গীকে প্রথম দেখলেই মনের মধ্যে জমা হয় একগুচ্ছ আবেগ। তখন স’ঙ্গীকে কাছে পেলে, তাকে আদর করলে দিন শুরু হয় ভরপুর এনার্জি নিয়ে। সারাটা দিন ভাল কাটে।

পুরু’ষরা তো এই মতের স’ঙ্গে এক বাক্যে সায় দেবেন। কিন্তু না’রীরা?তারা যে ভালবাসে না, তা নয়।কিন্তু সমীক্ষা বলছে, এমন মে’য়ের সংখ্যা নেহাতই হাতে গোনা। নগণ্য। খুব কম না’রীরাই মন থেকে মর্নিং সে’ক্সকে সবুজ সংকেত দেন।

বেশিরভাগই এসব পছন্দ করেন না। একটি বিদেশি অনলাইন পোর্টাল সমীক্ষা করে এই রিপোর্ট দিয়েছে। প্রায় এক হাজার মানুষকে নিয়ে হয়েছিল এই সমীক্ষা। এর মধ্যে ৫৬ শতাংশ অংশগ্রহণকারী ছিলেন ম’হিলা।

বাকি ৪৩ শতাংশ ছিলেন পুরু’ষ।না’রীরা বেশিরভাগই বলেছেন, তাঁরা কখনও মর্নিং সে’ক্স করেননি। ৬৩ শতাংশ না’রী স্বীকার করেছেন এ কথা।এদিকে, পুরু’ষের ভোট কিন্তু এক্ষেত্রে খুব কম।

মাত্র ৩৭ শতাংশ পুরু’ষ মর্নিং সে’ক্স করেননি। তাঁদের একটাই বক্তব্য, এতে শুধু সময় ন’ষ্ট হয়। কিন্তু না’রীদের কাছে রয়েছে একাধিক যুক্তি। প্রায় ৫০.৭ না’রীরা মুডে থাকেন না। ৩৫.৬ শতাংশ না’রীর কাছে মর্নিং সে’ক্স মানে সময় ন’ষ্ট। আর ৩২.৯ শতাংশ মনে করেন সকালে তাঁদের যৌ’ন মি’লনের এনার্জি থাকে না।আর যারা বি’ষয়টি উপভোগ করেন, তাঁরা? তাঁদের মতে

এই সময় সবচেয়ে ভাল স’ঙ্গ’ম হয়। তার আমেজই আলাদা। ভাষায় তা বর্ণনা করা যায় না। প্রায় ৫১ শতাংশ পুরু’ষের এটাই মত। কিন্তু মাতের ২০ শতাংশ ম’হিলা এই মতকে সমর্থন করেছেন। নিত্য তাঁরা মর্নিং সে’ক্স করেন বলেও জানিয়েছেন। এর অনুভূতি একেবারে আলাদা বলে মত তাঁদের।সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে,

যে সব দম্পতি নিজেদের সম্প’র্ক নিয়ে সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট, তারাই মর্নিং সে’ক্স করে বেশি। তুলনায় যাদের সম্প’র্কে মিষ্টির থেকে টক ভাবটা বেশি, তারা এসব খুব একটা পছন্দ করে না।

তারা চান তাদের প্রে’মিক বা স্বা’মীও যেন খাবার এবং নিজের শ’রীর নিয়ে একটু সচেতন হয়। সবাই এখন বাহ্যিক আকর্ষণে বিশ্বাসী।নিজেকে সুন্দরী প্রমাণের জন্য কত রকম প্রচেষ্টা করে নিজেকে ঝরঝরে রাখে। কারণ সুন্দর ছিপছিপে ফিগা’র, লম্বা এবং ফর্সা ছাড়া তাকে যেন ঠিক সুন্দরী বলা যায় না- এমনই মনোভাব তৈরি করেছে সমাজ।পাত্র-পাত্রী বিভাগের বিজ্ঞাপনেই তা স্পষ্ট। সম্প্রতি গবে’ষণা কিন্তু উল্টো কথা বলছে।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, কোনো পুরু’ষ জীবনে সু’খী হতে চাইলে অবশ্যই তার মো’টা মে’য়েকারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, স্বভাবের দিক দিয়ে মো’টারা অনেকটা চুপচা’প হন। কারোর স’ঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলতেও সময় নেন।

স্লিম মে’য়েদের তুলনায় মো’টা মে’য়েরা স্বা’মীদের অনেক অনেক ভালো রাখেন। শুধু তাই নয়, স্বা’মীর চা’হিদা-প্রয়োজনও দ্রু’ত বুঝতে পারেন। পাত্রী চেয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়ার আগে কথাটা মনে রাখবেন।বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পুরু’ষেরা মেদহীন শ’রীরের বউ কামনা করে থাকেন।

সহধর্মিনী বা বউ নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রায় প্রত্যেক পুরু’ষেরই নিজেদের ই’চ্ছা বা আলদা চিন্তা ধারা থাকে।সাম্প্রতিক গবে’ষণায় যা সামনে এসেছে তা শুনলে চমকে যাবে যেকোন পুরু’ষ। গবে’ষণা বলছে, জীবনে সু’খী হতে হলে অবশ্যই মো’টা মেয়েদের বিয়ে করা উচিত পুরু’ষদের। মো’টা মেয়েদের তুলনায় স্বভাবের দিক দিয়ে চিকণ শ’রীরের মেয়েরা অনেকটাই রিজার্ভড হয়। স্বা’মীর স’ঙ্গে তারা বন্ধুত্বের সম্প’র্ক গড়ে তুলতেও অনেকটা সময় নেন।

গবেষকরা জানিয়েছেন, চিকন স্ত্রীর তুলনায় তাদের স্বা’মীদের দশ গুণ বেশি সু’খে রাখেন মো’টা স্ত্রীরা। এছাড়া তাদের স’ঙ্গীর চা’হিদাও তারা অনেক বেশি ভালো বোঝেন। এছাড়াও স’ন্তানের যত্ন ও পরিবারের প্রতি মো’টা মে’য়েদের আ’গ্রহ বেশি থাকে। সেই জন্য গবেষকরা বলছেন যে মো’টা মে’য়েরাই স্ত্রী হিসাবে বেশি ভালো।বিয়ের আগে যে বি’ষয়গুলো জানা জরুরি!বিয়ে সামাজিক ও শরিয়তসম্মত বন্ধ’ন।

মানুষের চরিত্রকে সুন্দর ও নিরাপদ রাখতে, অ’বৈধ দৃষ্টি থেকে চোখকে হেফাজত করতে এবং লজ্জাস্থানের নিরাপত্তা ও সংরক্ষণে বিয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই দেনমোহর ধার্য সাপেক্ষে ইসলাম বিয়েকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে।বিয়ের মাধ্যমেই মু’সলিম প্রজ’ন্মের আবির্ভাব। বিয়ের মাধ্যমে অর্জিত হয় মনের শান্তি, হৃদয়ের স্থিরতা, চরিত্রের পবিত্রতা ও জীবনের পরম সু’খের ঠিকানা।

বিয়ে করার আগে যে বি’ষয়গুলো জানা জরুরি, তার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে আইডিভা ওয়েবসাইটে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।সে কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ?বিয়ের আগে ভালো করে খেয়াল করুন সে কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই বি’ষয়ে কোনো দ্বিধা থাকলে বিয়ে না করাটাই ভালো।

স’ঙ্গীর পরিবার
বিয়ের আগে স’ঙ্গীর পরিবারের স’ঙ্গে একবার হলেও দেখা করে নিন। তাহলে বিয়ের কথা শুরুর হওয়ার আগে আপনি বুঝতে পারলেন তাঁরা কেমন ধরনের মানুষ। এতে সব কথাবার্তা মানাতে সহজ হবে।

স’ঙ্গীর বন্ধু
যদি আপনি এতদিনে তাঁদের স’ঙ্গে দেখা না করেন, তাহলে আজই দেখা করে নিন। কারণ বিয়ের আগে স’ঙ্গীর বন্ধুর স’ঙ্গে দেখা করা খুবই জরুরি। সে আসলে কেমন মানুষ, সেটা বন্ধুদের স’ঙ্গে দেখা হলেই বুঝতে পারবেন।