একের পর এক স্বামী বদলে ধনী, শেষ অবধি স্কুল শিক্ষিকার কা’ন্ড

কক্সবাজারের রামুতে বিবাহ বৈধতা এবং কার্যকর থাকা সত্ত্বেও তার স্বামীর ভাগ্নের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এবং স্ট্যাম্প জা’/লিয়া’/তির মাধ্যমে জা’/ল বিবাহ বি’/চ্ছে’/দের মা’/ম’/লায় আ’দা’/লত স্কুলশিক্ষিকা শামীমা আক্তারের বি’/রু’/দ্ধে গ্রে’/প্তা’রি প’/রো’/য়ানা জা’/রি করেছে।
শামীমা আক্তার রামু’র জোয়ারিনালা ইউনিয়নাধীন ঘোনারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং পেকুয়া উপজে’লাধীন পূর্ব গোখালী এলাকার জাফর আহমেদের কন্যা।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজে’লার দক্ষিণ জলদি গ্রামের বসবাসরত রশিদ আহমেদ স্বামীর ভাগ্নের সাথে বিবাহবন্ধনে যু’ক্ত হওয়া এবং স্ট্যাম্প জা’/লিয়া’/তি করার মাধ্যমে জা’ল বিবাহ বি’/চ্ছে’দের কাগজপত্র কার্যকর করার অ’ভি’/যোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষিকা শামীমা আক্তারের বি’/রু’/দ্ধে মা’/ম’/লা করেছেন।

গত ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, আমলি আদা’লত-০২ এ মা’/ম’/লা (নং ১৪৯৫/২০২০) দা’/য়ের করা হয়। আ’দা’/লতের নির্দেশে পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো এর ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন গত ১০ নভেম্বর মা’/ম’/লার ত’দ’/ন্ত প্রতিবেদন দেন। এতে বিয়ে কার্যকর থাকার পরও স্বামীর ভাগিনাকে বিয়ে করা এবং স্ট্যাম্প জা’/লি’/য়াতির সত্যতা পাওয়ায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হোসেন মোহাম্ম’দ রেজা গত ২২ ডিসেম্বর শামীমা আক্তারের বি’/রু’/দ্ধে গ্রে’/ফ’/তারি প’/রো’/য়ানা জা’/রি করেন।

মা’/ম’/লার ত’দ’/ন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনবার বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন শামীমা আক্তার। অ’ভি’/যু’ক্ত শামীমা আকতার ২০০৯ সালে রাশেদুল ইস’লাম নামে যুবককে বিয়ে করেন। ওই সংসারে জমজ কন্যা সন্তান থাকা সত্ত্বেও পারিবারিক দ্ব’/ন্দ্বে’র কারণে ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি তাদের বি’/চ্ছে’দ হয়। ২০১৪ সালের ১৪ নভেম্বর দ্বিতীয়বারের মতো রশিদ আহম’দকে বিয়ে করেন তিনি। কর্মস্থল রামুতে হওয়ায় সেখানে ভাড়া বাসা নিয়ে স্বামী-স্ত্রী’ বসবাস শুরু করেন। একপর্যায়ে রশিদ আহম’দ প্রবাসে চলে যান। প্রবাস থেকে আসা যাওয়ায় তাদের সংসার ঠিকঠাক চলছিল। রশিদ আহম’দ তার স্ত্রী’ শামীমা’র নামে কক্সবাজারের ঝিলংজায় জমিও ক্রয় করেন। এছাড়া বিভিন্ন অ’জুহাতে স্বামীর কাছ থেকে মোটা অংকের টাকাও হা’/তিয়ে নিতেন। রশিদ আহম’দ প্রবাসে থাকাকালে জরুরি প্রয়োজনে শামীমা’র দেখাশোনা করতেন তার ভাগিনা জাকির হোসেন। দেখাশোনার একপর্যায়ে রশিদের ভাগিনা জাকিরের সঙ্গে অ’/বৈ’ধ স’ম্পর্কে জ’/ড়িয়ে পড়েন শামীমা। জাকির হোসেন চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজে’লার জলদি রঙ্গিয়াঘোনা এলাকার মোস্তাক আহম’দের ছে’লে।

ত’দ’/ন্ত প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, দ্বিতীয় স্বামী রশিদ আহম’দের বিয়ে বৈধ থাকার পরও ২০১৭ সালের ৬ জানুয়ারি শামীমা জাকির হোসেনকে বিয়ে করেন। শামীমা এবং তার তৃতীয় স্বামী জাকির উভ’য়ে তাদের বিয়ে বৈধ করার লক্ষ্যে একটি ভু’/য়া তা’/লা’কনামা সৃজন করে। ওই তা’লাকমানায় ব্যবহৃত দুটি ১০০ টাকার স্ট্যাম্পে তালাকের তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ২০১৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বর। বাদী রশিদ আহম’দ বিষয়টি স’/ন্দে’হ’জনক মনে করে চট্টগ্রাম ট্রেজারি অফিসে সন্ধান চেয়ে জানতে পারেন, স্ট্যাম্প দুটি চট্টগ্রাম ট্রেজারি থেকে সরবরাহ করা হয়েছে ২০১৭ সালের ২০ জুন। অর্থাৎ স্ট্যাম্প সৃষ্টি বা বাজারে আসার আগেই তা’লাকনামা সৃষ্টি করা হয়েছে। যা প্র’/তা’/রণামূলক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এরই প্রেক্ষিতে আ’দা’লত শামীমা’র বি’/রু’/দ্ধে গ্রে’/ফতা’রি প’/রো’য়ানা জা’/রি করে।

ত’দন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, শামীমা আক্তার নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে তার দ্বিতীয় স্বামী রশিদ আহমেদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ কৌশলে নিয়ে নিতেন। এর আগে দা’/য়ের করা সিআর কেস (নং ৯৯/২০১৯) প্রসঙ্গে সিআইডি প্রদত্ত ত’দ’/ন্ত প্রতিবেদনে এটি প্রমাণিত হয়েছে।

মা’/ম’লার বাদী রশিদ আহমেদ বলেছেন, শামীমা আক্তারের ফাঁ’/দে পড়ে অনেক পুরুষ নিঃস্ব হয়েছেন। বিয়ের নামে তিনি তার কাছ হতে জমি ও বিপুল পরিমাণ অর্থ হা’/তিয়ে নিয়েছেন। সম্প্রতি নিজের ভাগ্নেকে বিয়ে করায় তিনি সামাজিকভাবে হেয় হচ্ছেন।