এই জমজ’মের পা’নি পৃথি’বীর শ্রে’ষ্ঠ পানি, প্রমাণ করলেন জা’পানের বিজ্ঞানী মাসারু

এ’ই জমজ’মের পা’নি পৃথি’বীর শ্রে’ষ্ঠ পানি। পবিত্র জম’জম নিয়ে রাসুল (সা.)-এর বহু হাদিস রয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযো’গ্য একটি হলো ইবনে আব্বাস (রা.) কর্তৃক বর্ণিত। মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ পানি হলো জমজমের পানি।

তাতে রয়েছে তৃ’প্তির খা’দ্য ও ব্যা’ধির আরো’গ্য।’ (আল-মুজামুল আউসাত, হাদিস : ৩৯১২)জা’পানের বিখ্যাত গবেষক মাসরু এমোতো জমজমের পানি নিয়ে গবেষণা করেছেন। তাঁর মতে, জমজমের এক ফোঁটা পানির যে নিজস্ব খনি’জ গুণাগুণ আছে, তা পৃথিবীর অন্য কোনো পানি’তে নেই।

তিনি আ”রো বলেন, সাধারণ পানির এক হাজার ফোঁ’টার সঙ্গেযদি জম’জমের পানির এক ফোঁটা মেশানো হয়, তাহলে সেই মিশ্রণও জমজমের পানির মতো বিশু’দ্ধ হয়। কেননা জমজমের পানির মতো বিশুদ্ধ পানি পৃ’থিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যাবে না।খলিলুল্লাহ ইবরাহিম (আ.)-এর পুত্র হ’জরত ইসমাঈল ও স্ত্রী’’’ হাজেরা (আ.)-এর এই স্মৃ’তিকে মহান আল্লাহ এতটাই বরকতময় করে রেখেছেন যে,

পৃথিবীতে এই পানির নজির আর তিনি রাখেননি। এই পানিকে তিনি বানিয়েছেন সম্পূর্ণ জীবা’ণুমুক্ত এবং হাজারো জীবাণুর প্রতিষে’ধক। জা’পানি বিজ্ঞানী মাসারু ইমোতো ন্যানো প্রযু’ক্তি ব্যবহার করে গবেষণা করেছেন জমজমের পানির ওপর। কেন জমজমের পানি পৃথিবীর বিশুদ্ধতম পানি তার কিছু বৈজ্ঞানিক ধারণা বের করেছেন গবেষণার মাধ্যমে।

১। এক ফোঁটা জমজমের পানিতে যে পরিমাণ আকরিক পদার্থ থাকে তা পৃথিবীর অন্য কোনো পানিতে থাকে না। ২। জমজমের পানির গুণগত মান কখনও পরিবর্তিত হয় না। ৩। সাধারণ কূপের পানিতে জলজ উদ্ভিদ জন্মালেও জমজম কূপের পানিতে কোনো জলজ উদ্ভিদ বা অন্যান্য উদ্ভিদজাত অণু’জীব জন্মায় না। ৪। জমজমের পানিতে যেসব আকরিক পদার্থ পাওয়া

গেছে তার মধ্যে ক্যালসিয়াম, ফ্লোরাইড, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, সালফেট,নাইট্রেট, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম উল্লেখযোগ্য। ফ্লোরাইড ছাড়া বাকি মিনারেলগুলোর মাত্রা অন্যসব স্বাভাবিক খাবার পানিতে পাওয়া মাত্রা থেকে বেশি ছিল। ৫। জমজমের পানিতে এন্টিমনি, বেরিলিয়াম, ব্রোমাইন,কোবাল্ট, বিস্মুথ,

আয়োডিন আর মলিবডেনামের মতো পদার্থগুলোর মাত্রা ছিল ০.০১ ppm থেকেও কম। ক্রোমিয়াম, ম্যাংগানিজ আর টাইটানিয়াম এর মাত্রা ছিল একেবারেই নগণ্য। ৬। জা’পানি বিজ্ঞানীর পরীক্ষা অনুযায়ী জমজমের পানির pH হচ্ছে ৭ দশমিক ৮। যেটি সামান্য ক্ষারজাতীয়। বিজ্ঞানী তার পরীক্ষায় আর্সেনিক, ক্যাডমিয়াম, সীসা এবং সেলেনিয়ামের

মতো ক্ষ’তিকর পদার্থগুলো ঝুঁ’কিমু’ক্ত মাত্রায় পেয়েছেন। যে মাত্রাগুলোতে মানুষের কোনো ক্ষ’তি হয় না। ৭। মাসারু তার পরীক্ষায় জমজমের পানির এমন এক ব্যতিক্রমধ’র্মী মৌলিক আকার পেয়েছেন যেটি খুবই চ’মকপ্রদ।
পানির দুইটি স্ফটিক সৃষ্টি হয়- একটি আরেকটির উপরে কিন্তু সেগুলো একটি অনুপম আকার ধারন করে।