Spc. Casey Barlow, 23, of Salem, Oregon, a soldier with Company C, 2nd Battalion, 2nd Infantry Regiment squeezes an opium poppy bulb during a patrol in the village of Mazar'eh, in Maiwand district, Kandahar province, Afghanistan. The Taliban are believed to skim at least $100 million a year from the opium trade in Afghanistan, and NATO officials have struggled for years to find a way to effectively combat it and provide viable alternative crops for local farmers. April 5, 2009. squeezes an opium poppy bulb during a patrol in the village of Mazar'eh, Maiwand district, Afghanistan. Barlow is a soldier with Company C, 2nd Battalion, 2nd Infantry Regiment. The Taliban is believed to skim at least $100 million a year from the opium trade in Afghanistan. NATO officials are struggling to come up with a workable plan to combat the trade and viable alternatives to offer farmers who grow it. April 5, 2009

‘আফগানিস্তান থেকে ইউরোপে মাদক নিয়ে যায় মার্কিন সেনারা’

আফগানিস্তানে মোতায়েন মার্কিন সেনারা দেশটি থেকে মাদক নিয়ে তা কয়েকটি ইউরোপীয় দেশে পাচার করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আফগান বিষয়ক বিশেষ রুশ প্রতিনিধি জামির কাবুলোভ এমন অভিযোগ তুলেছেন। রাশিয়া আফগান তালেবানদের অর্থ দিয়ে দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের হত্যা সেনাদের হত্যা করাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠার পরই এমন মন্তব্য করলেন তিনি।

রুশ বার্তা সংস্থা তাস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জামির কাবুলোভ বলেন, যারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন তারাই আফগানিস্তানে মাদক চোরাকারবারের জড়িত।

তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক বিমানগুলো আফগানিস্তানের কান্দাহার অথবা বাগরাম বিমানঘাঁটি থেকে সরাসরি জার্মানি ও রুমানিয়াসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোতে যাচ্ছে। অথচ এসব বিমান কখনোই তল্লাশি করা হয় না। আফগানিস্তান থেকে এসব বিমানে করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে মাদক পাচার করে মার্কিন সেনারা।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন যে, আফগান তালেবানদের অর্থ দিয়ে দেশটিতে থাকা মার্কিন সেনাদের হত্যা করতে উস্কানি দিচ্ছে রাশিয়া। তবে রাশিয়া ও তালেবান এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা অবশ্য বলেছে, আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের হত্যায় মস্কো উস্কানি দিচ্ছে এ রকম সুস্পষ্ট কোনো প্রমাণ তাদের কাছে নেই।