মহানবী আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা: এরদোগান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়িব এরদোগান বলেছেন, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুসলিম উম্মাহর জন্য আদর্শ ও অনুসরণের ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা। বুধবার রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত একটি সভায় কীর্তিমান ঐতিহাসিক নেতাদের সম্পর্কে এক যুবকের করা প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই মন্তব্য করেন।

এরদোগান বলেন, আমাদের পূর্ব পুরুষদের মধ্যে এমন অনেক মহান নেতা আছেন, যারা তার সময়ের কীর্তিমান পুরুষ হিসেবে গোটা বিশ্বেই প্রভাব সৃষ্টি করেছেন এবং আজও তারা ইতিহাসের উদাহরণ। তুর্কি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ও আধুনিক তুরস্কের রূপকার মুস্তফা কামাল আতাতুর্কও এমনি একজন মহান নেতা।

কাতারের আমির শায়েখ তামিম বিন হামদ আস সানিকেও বর্তমান সময়ের অন্যতম গ্রহণযোগ্য নেতার স্বীকৃতি দিয়েছেন এরদোগান। এরদোগান বলেন, শায়েখ তামিম প্রগতিশীল একজন যুবক নেতা, তার সবচে’ বড় গুণ হল, তিনি সবসময় দরিদ্র দেশসমূহের পাশে দাঁড়ান।

তবে ইউরোপের বিস্তৃত ভূখণ্ডে আদর্শিক কোন নেতাই নেই বলে মন্তব্য করেন এরদোগান। ‘আমি ইউরোপ জুড়ে বর্তমানে বাস্তবিক কোন নেতা দেখিনা।’ যোগ করেন এরদোগান।
প্রাক্তন জার্মান চ্যান্সেলর জেরহার্ড শ্রয়েডারকে একজন সফল নেতা আখ্যা দিয়ে এরদোগান বলেন, নেতৃত্বের গুণ খুব ভালভাবেই রপ্ত করতে পেরেছিলেন তিনি, আর সত্যবাদিতায় সে ওপরের সারির মহান এক নেতা ছিলেন।

কুরআনের ভুল খুঁজতে গিয়ে নিজেই মুসলমান হয়েছেন কানাডার অধ্যাপক

কানাডার সাবেক খ্রিস্টধর্ম প্রচারক ছিলেন অধ্যাপক ড. গ্যারি মিলার। তিনি পবিত্র কুরআনের মধ্যে ভুল খোঁজার চেষ্টা করেছিলেন। কুরআনের ভুল বের করে যাতে ইসলাম ও কুরআন বিরোধী প্রচারণা চালানো সহজ হয় সেজন্য তিনি এ চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু কুরআন পড়ার পর তার ভিতরে অদ্ভুত পরিবর্তন আসে। ফলে নিজেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলমান হন। ইসলাম গ্রহণের পর তার দেয়া হয়েছে আবদুল আহাদ উমার।

অধ্যাপক ড. গ্যারি মিলার বলেন, আমি একদিন কুরআন সংগ্রহ করে তা পড়া শুরু করলাম। প্রথমে ভেবেছিলাম কুরআন নাযিল হয়েছিল আরবের মরুচারীদের মধ্যে। তাই এতে নিশ্চয় মরুভূমি সম্পর্কে কথা থাকবে। কুরআন নাযিল হয়েছিল ১৪০০ বছর আগে। তাই খুব সহজেই এতে অনেক ভুল খুঁজে পাব ও সেসব ভুল মুসলিমদের সামনে তুলে ধরব।

কিন্তু কুরআন পড়ার পরে বুঝলাম আমার এসব ধারণা ঠিক নয়, বরং আমি অনেক আকর্ষণীয় তথ্য পেলাম। বিশেষ করে সূরা নিসার ৮২ নম্বর আয়াতটি আমাকে গভীর ভাবনায় নিমজ্জিত করে। সেখানে আল্লাহ বলেন, এরা কী লক্ষ্য করে না কুরআনের প্রতি? এটা যদি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো পক্ষ থেকে নাযিল হতো, তবে এতে অবশ্যই বহু বৈপরিত্য দেখা যেত’।

এরপর আরো গভীরভাবে কুরআন অধ্যয়ন করলেন গ্যারি মিলার। আর তার এই অধ্যয়নই তাকে নিয়ে গেল ইসলামের পথে। ইসলামের দোষ খুঁজতে গিয়ে তিনি হয়ে গেলেন একজন মুসলিম তথা মহাসত্যের কাছে সমর্পিত একজন।

তিনি বলেছেন, আমি খুব বিস্মিত হয়েছি যে কুরআনে ঈসার (আ.) মাতা মারিয়ামের নামে একটি বড় পরিপূর্ণ সূরা রয়েছে। আর এ সূরায় তার এত ব্যাপক প্রশংসা ও সম্মান করা হয়েছে যে এত প্রশংসা বাইবেলেও দেখা যায় না। পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন স্থানে বিশ্বনবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর নাম মাত্র ৫ বার এসেছে।