হাসপাতালের বিল দিতে না পা’রায় ৬০ হাজার টাকায় ন’বজাতক বি’ক্রি করলে’ন মা!

ঢাকার ধামরাইয়ে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করতে পারেননি মা তাই ৬০ হাজার টাকায় ছেলে ন’বজাতককে বিক্রি করে দেয় হাসপাতালের লোকজন।

পুলিশ এতে জ’ড়িত স’ন্দেহে এক নার্সসহ ৩ জনকে গ্রে’ফতার করেছে । সাথে ন’বজাতককে উ’দ্ধার করে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) সকালে ধামরাই থানা পুলিশ সাভারের রাজফুলবাড়িয়া থেকে ন’বজাতকটিকে উ’দ্ধার করে ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ জুন রাতে ধামরাইয়ের সুতিপাড়া ইউনিয়নের বাটারখোলা এলাকার ভাড়াটিয়া মৃ’ত বাবুল হোসেনের স্ত্রী নাজমা বেগমের প্রসব বেদনা ওঠলে ভর্তি হন রাবেয়া মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। রাতে তার একটি ছেলে স’ন্তান হয়।

কিন্তু অভাবের কারণে তার পক্ষে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছিলো না। এরপর তিনি নার্স সাদিয়া বেগমের কথা মতো ছেলে শি’শুটিকে ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন এবং ১০ হাজার ৫০০ টাকা হাসপাতালের বিল পরিশোধ করেন।

পরে পুলিশ খবর পেয়ে নার্স সাদিয়া বেগমকে গ্রে’ফতার করে। এবং তার তথ্যে অনুযায়ী সোমবার সকালে সাভারের রাজফুলবাড়িয়া এলাকায় অ’ভিযান চা’লিয়ে ন’বজাতকটিকে উ’দ্ধার করে। এ সময় ন’বজাতককে কেনার অ’পরাধে এক দম্পতিকেও গ্রে’ফতার করা হয়। পরে তার মায়ের কোলে ন’বজাতকটিকে ফিরিয়ে দেয়া হয়।

ন’বজাতকের মা নাজমা বেগম বলেন, আমার স্বামী কিছুদিন আগে মা’রা গেছে। দুটি স’ন্তান নিয়ে স’রকারি গুচ্ছ গ্রামে ভাড়া থাকি। হাশপাতালের বিল দিতে না পারায় নার্স সাদিয়া ও তার কথিত স্বামীর পরামর্শে ৬০ হাজার টাকায় আমার ন’বজাতক ছেলেকে বিক্রি করে দেই।

ধামরাই থানা পুলিশের ওসি দীপক চন্দ্র সাহা জানান, এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে। ন’বজাতকের পরিবারকে স’রকারি সাহায্যের ব্যবস্থা করা হবে। আ’সামিদের বি’রুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।