জাতির বৃহত্তর স্বার্থে চীন থেকে আর কাউকে আনা হচ্ছে না

জাতির বৃহত্তর স্বার্থে চীন থেকে আর কাউকে আনা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে সরকার। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে মুক্ত থাকতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় এমনটাই জানানো হয়েছে বলে

জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) শেখ মুজিবুর রহমান।

তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সভাপতিত্বে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মুজিবুর রহমান বলেন,

করোনাভাইরাস নিয়ে ইনফরমালি যতটুকু কথা হয়েছে তাতে আপাতত চীনে আমাদের যারা আছেন, তাদের আনার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে একটা দাবি উঠেছে।

চীনে যারা রয়েছেন তাদের সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান বলেন,

পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে যাচাই-বাছাই করে দেখা গেছে যে, তারা যে যুক্তিগুলো দিয়েছে যেমন- খাবারের অভাব, সাপোর্ট পাচ্ছেন না, আসলে তাদের খাবার-দাবারের কোনো অভাব নেই।

বরং তাদের সব সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। তাই এ মুহূর্তে তাদের আনার কোনো জাস্টিফিকেশন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

বিমানের পাইলট ও ক্রুদের অন্য দেশে ঢুকতে দিচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা

ইতিমধ্যে যে চ্যালেঞ্জ- যে বিশেষ বিমানে নিয়ে আসলাম, সেই বিমান এবং বিমানের ক্রু-পাইলট অন্যদেশ এক্সেপ্ট করছে না। তাই আমাদের এ মুহূর্তে পরবর্তী যে লট সেটা আনার

জন্য কোনো তরফ থেকে জাস্টিফিকেশন আসেনি। তার কারণে আপাতত সেটা হচ্ছে না, ফর দ্যা গ্রেটার ইন্টারেস্ট অব দ্য নেশন।

আজ (সোমবার) পর্যন্ত করোনাভাইরাসে চীনে এ পর্যন্ত ৯০৮ জনের মৃ;ত্যু হয়েছে। এর

বেশিরভাগই হুবেই প্রদেশের উহান শহরে। এছাড়া ৪০ হাজারের বেশি মানুষের শরীরে এ

ভাইরাস সংক্রমণ হয়েছে। করোনাভাইরাস ২৫টির বেশি দেশে ছড়িয়েছে। চীনের সঙ্গে অনেক দেশ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছে।