‘দিনাজপুরে শীতের তীব্রতায় ঘর থেকে বের হওয়া যায় না’

হিমালয়ের হিমেল বায়ু প্রবাহে উত্তরের জেলা দিনাজপুরে শীত ও ঠাণ্ডার প্রকোপ বাড়ছে। সন্ধ্যা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত বেশ শীত অনুভূত হচ্ছে। এতে খেটে খাওয়া মানুষের বেড়েছে দুর্ভোগ।

তাই মানুষ ছুটছে এক টুকরা গরম কাপড়ের জন্য ফুটপাতের পসরা সাজিয়ে বসা দোকানিদের কাছে। শীত আসলেই পিঠার স্বাদ নিতে চলে আয়োজন। কালের বিবর্তনে গ্রাম বাংলার সেই রূপ হারালেও বাঙালির কাছে কমেনি পিঠার আবেদন। আবহাওয়া অফিস বলছে, সন্ধ্যার পর তাপমাত্রা কমে আসছে।

ডিসেম্বরের শেষে মৃদু ও মাঝারি শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে। হিমালয় থেকে নেমে আসা হিমেল বায়ু প্রবাহে শীতের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে। দিনে হালকা গরম হলেও সন্ধ্যা থেকে শীতল হাওয়া ভোর রাত পর্যন্ত কুয়াশা থাকে।

শীতের সকাল এবং সন্ধ্যায় শহরের মোড়ে মোড়ে পিঠা পুলির দোকানে নানা বয়সের মানুষ ভিড় করেন। স্থানীয় একজন বলেন, ‘শীত চলে এসেছে। আমরা রাস্তাঘাটে পিঠা-পুলি পাচ্ছি, খাচ্ছি।’ আরেকজন বলেন, ‘দিনাজপুরে শীতের তীব্রতায় ঘর থেকে বের হওয়া যায়না, সাথে পিঠা খাওয়ার যে আনন্দ সেটা আমরা উপভোগ করছি।’

শীতের তীব্রতায় কষ্টের কথা জানালেন খেটে খাওয়া মানুষেরা। একজন বলেন, ‘প্রচণ্ড শীত। পরিবার পরিজন, বাচ্চা-কাচ্চা নিয়ে খুব কষ্ট পাচ্ছি।’ আরেকজন বলেন, ‘উত্তরের হওয়াতে শীত আরও বেশি হচ্ছে।

এতে বৃদ্ধ এবং শিশুদের খুব কষ্ট হচ্ছে। এ অবস্থায় শীতের কাপড় কিনতে সাধারণ মানুষ ছুটছে ফুটপাতের দোকানিদের কাছে।’ স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, হিমালয়ের পাদদেশে এই জেলার অবস্থান হওয়ায় শীতের তীব্রতা বাড়ছে।

আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র মনিটরিং কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখানে ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রির মধ্যে অবস্থান করছে। জেলার ১৩টি উপজেলার দরিদ্র ও ছিন্নমূলদের মধ্যে জেলা প্রশাসন এ পর্যন্ত ৮৫ হাজার কম্বল বিতরণ করেছে।’