আপনার লি’ঙ্গের সাইজ ঠিক আছে কিনা কীভাবে বুঝবেন?

এটা একটা পুরাতন বিষয় যে বিষয়ের সাথে মানুষ প্রতিদিনই লড়াই করে চলছে। এ প্রশ্নটি মানুষের চিন্তার সৃষ্টি এবং নানাবিধ ভয়ের ব্যপকতা বাড়াচ্ছে,

যেহেতু মানুষ তাদের অপর্যাপ্ততার (কম) সম্ভাবনা নিয়ে ভাবে। আপনার চিন্তা ধারায় এটি কঠিন একটি প্রশ্ন এবং সৌভাগ্য বশত এ সমস্যা প্রায় সময় আপনার সহপাটিদের থেকে নিজের উপলব্ধি করতে হয়।

লি’ঙ্গে’র সাইজঃ প্রকৃত ব্যাপার নাএবং ভূল ধারনা প্রথম কারণ। Psychology of Men and Masculinity এর প্রতিবেদন অনুসারে ৬৮ % খাড়া লি’ঙ্গে’র মধ্যে অধিকাংশ পুরুষের ৪.৬ থেকে ৬ইঞ্চি লম্বা হয়।

১৬ % লোকের সোজা লি’ঙ্গে’র সা’ইজ ৬.১ ই’ঞ্চি থেকেল’ম্বা এবং শুধু মাত্র ৬.৯ ইঞ্চি অতিক্রম করেছে.২.৫ % লোকের। এবং খাড়া মাত্র ১৬% পুরুষের ৪.৫ ইঞ্চি থেকেও ছোটো। তাদের আবার শুধু ২.৫% পু’রু’ষের ৩.৭ ইঞ্চির নিচে। সুতরাং এখন আপনি জানেন।

আরও পড়ুন: মেয়েদের বু’কের প্রতি ছেলেরা আকৃষ্ট হন কেন? না’রী শ’রীর এমনিতেই র’হস্যে মোড়া। ম’হিলাদের সুডৌল গড়নের প্রতি আ’কৃষ্ট হননি, এমন পু’রুষ দুনিয়ায় খুঁজে পাওয়া কঠিন। আর শুধু পু’রুষদের কথাই বা বলছি কেন, ম’হিলাদেরও নিজেদের বুক নিয়ে গর্বের শেষ নেই।

আকৃতি, গঠন নিয়ে তাঁরা সদা সচেতন। অ’ন্তর্বাস পরার আগে খুঁতখুঁতে হন অশিকাংশ ম’হিলাই। কিন্তু জানেন, এর প্রতি পু’রুষদের এহেন দুর্নিবার আকর্ষণের কারণ কী? হাফিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা কারণ খুঁজে পেয়েছেন। পড়ুন তেমনই ১০টি কারণ-

১. প্রথমত এক সুন্দরী ম’হিলার সুগঠিত দেখতে অত্যন্ত সুন্দর, দৃষ্টিনন্দন হয়। শিক্ষা-অশিক্ষা নিয়ে আমাদের চিন্তা ভাবনার শেষ নেই। কিন্তু আজও বহু পুরুষই বিশেষ ক্ষেত্রে কম জানে। কারণ বিশেষ মুহুর্তে তাদের সঠিক শিক্ষার অভাব। আজও আমাদের দেশে এর ঠিকঠাক চল নেই।

ফলে হয় বড়দের মুখে শুনে, নয়তো ভুল তথ্য সম্বলিত বই পড়ে পুরুষরা গোড়ায় তৈরি করে দৈহিক চাহিদার ধারণা। এই ধারণা তৈরির সময় না’রীদেহ স’ম্পর্কে বহু ভুল কথা মনে গেঁথেই বেড়ে ওঠে পুরুষরা। পরে সে ভুল ভাঙে ঠিকই। কিন্তু তাতে দৈহিক শিক্ষার অভাবটা কোনওভাবেই অ’স্বীকার করা যায় না। তা কোন কোন ভুল ধারণা পুরুষের মনে বাসা বেঁধে থাকে?

১. মহিলাদের শরীরে কোনও কেশ নেই। বহু পুরুষেরই প্রাথমিকভাবে এ ধারণা থাকে। হরমোনের কারণেই পুরুষ শরীর রোমশ। নারী শরীর সেভাবে রোমশ নয়। শরীরের যে অঙ্গগু’লিতে রোম দেখা যেতে পারে, সেখান থেকে তা নির্মূল করারও আধুনিক পদ্ধতির দ্বারস্থ হন মহিলারা। ফলত ধারণা গড়ে ওঠে যে, মহিলাদের শরীরে পিউবিক হেয়ার নেই। বস্তুত তা একেবারেই অর্থহীন।

উলটে, দৈ’হিক তৃ’প্তির ক্ষেত্রে এই কেশের গুরুত্ব আছে। ভুল ধারণার কারণে এই পুরো বিষয়টিতেই অ’ন্ধকারে থাকে অধিকাংশ পুরুষ। ২. নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী তারা মে’য়েদেরও এক ছাঁচে ফেলে দেন। কিন্তু সত্যিই সকল মে’য়েরা এসব পছন্দ করে না। এতে তাদের নানা অ’সুবিধাও হয়। সে অ’সুবিধার কথা পুরুষরা জানেন না বলেই, বক্ষযুগল নিয়ে ভুল ধারণা তৈরি হয়।

এই ধারণার বশবর্তী হয়ে পুরুষরা এমন অনেক কাজ করে ফেলেন, যাতে মহিলারা পরবর্তীকালে বিপাকে পড়েন। ৩. আবার অনেক পুরুষের ধারণা, প্রত্যেক মহিলারই বোধহয় যে কোনও সময় স্তনদুগ্ধ ক্ষরিত হয়। হরমোনাল চেঞ্জ, সন্তান হওয়ার পর যা যা নারীশরীরে সংঘটিত হয়, তা স’ম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা থাকে না পুরুষদের। স্তনদুগ্ধ নিয়েও কোনও জ্ঞান তাদের সামনে তুলে ধ’রা হয় না। ফলে এই অস্বাভাবিক একটা ধারণা পুরুষদের মনে বাসা বেঁধে থাকে।

৪. নারীর ঋতুকালীন যন্ত্র’ণা নিয়েও পুরুষের বহু ভুল ধারণা থাকে। প্রথমত, সংস্কারের কারণে এটা নিয়ে কোনও আলোচনাই হয় না পুরুষদের সামনে। দক্ষিণ ভারতে তো প্রথা অনুযায়ী, এই সময় নারীরা পুরুষদের মুখদর্শন পর্যন্ত করেন না। ফলে এই বিষয়টি নিয়ে পুরুষরা রীতিমতো ধোঁয়াশায় থাকেন। অথচ পরবর্তীতে সন্তানের জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে এই চক্র স’ম্পর্কে নারীর পাশাপাশি পুরুষেরও সম্যক ওয়াকিবহাল থাক উচিত। সেই জায়গাতে অনেকটাই পিছিয়ে থাকেন পুরুষরা।