অর্ধেক অর্ধেক করে লিভার দানে বাবাকে নতুন জীবন দিলো দুই বোন

বাবার বাঁ’চার আশা প্রায় শেষই হয়ে গিয়েছিলেন। কারণ অ’সুখে একেবারেই অকেজো হয়ে গিয়েছিল যকৃত্‍। ডাক্তার নিদান দেন, লিভার ট্রান্সপ্লান্টের।

ভাবনা-চিন্তায় এক মুহূর্তও সময় নষ্ট করেননি দুই মেয়ে। তাঁদের দেওয়া অর্ধেক লিভারে গোটা যকৃত্‍‌ পেলেন বৃদ্ধ। এই সময়ের খবর।

ইয়েমেনি বৃদ্ধ আল নাকিবের অ’স্ত্রোপচার হল অ্যাপোলো হাস*পাতালে। ডাক্তারের পরাম’র্শে বাবাকে লিভার দান করার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন তিন ছেলেমেয়েই।

তবে ছেলে অ’ত্যধিক মোটা হওয়ায় তাঁর যকৃত্‍‌ নেওয়া যায়নি। তবে পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর দুই

মেয়ে বাহাজা ও সারার লিভার তাঁদের বাবার শরীরে বসাতে রাজি হন ডাক্তাররা।

লিভার দানের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের ৫৫%-৭০% লিভার দান সম্ভব। চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে দাতার লিভার ফের ১০০% পুনর্গঠিত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে দুই দাতারই বয়স ২০-র ঘরে।

হাস*পাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. গয়াল জানিয়েছেন, ‘এই প্রক্রিয়ায় দু জন দাতা হওয়ায় আমাদের দলের উপর বিরাট চাপ ছিল। রোগীর নানা সমস্যা থাকায় প্রতিস্থাপনও খুব

ঝুঁ’কিপূর্ণ ছিল। তবে সফলভাবে আম’রা করতে পেরে রোগীকে নতুন জীবন দিতে সক্ষম হয়েছি।’

২৩ মে হয় অ’স্ত্রোপচার। ডাক্তাররা জানিয়েছেন, গ্রহীতা বৃদ্ধ এখন সুস্থ। তাঁকে শিগগিরই হাস*পাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।২০১৫ থেকে ২০১৯ : বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ‘চিরশত্রু’ আলিম দার!

বাংলাদেশের কোনো ম্যাচে যুক্ত হলেই বারংবার ভুল সিদ্ধান্ত দিতে অভ্যস্থ পাকিস্তানের এই আম্পায়ার। ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের সেই মহা বিতর্কিত কা’ণ্ডের পর এবারের

বিশ্বকাপে আলিম দারের বাজে আম্পায়ারিংয়ের শিকার হয়েছে বাংলাদেশ। লিটন দাসকে আজ থার্ড আম্পায়ারের মাধ্যমে যেভাবে আউট দেওয়া হয়েছে, তা রীতিমতো প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে চলমান ম্যাচটির টিভি আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আলিম দার।

২০১৫ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের সেই ম্যাচটা এখনও ভুলে যাননি ক্রিকেটপ্রেমীরা। প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা বাংলাদেশ দারুণ খেলছিল ভারতের

বিপক্ষে। মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচের আম্পায়ার ছিলেন পাকিস্তানের আলিম দার ও

ইংল্যান্ডের ইয়ান গোল্ড। রুবেল হোসেনের একটি ফুলটস বল রোহিত শর্মা’র কোম’রের নীচে থাকলেও, লেগ আম্পায়ার আলিম দারের পরাম’র্শে ‘নো বল’ ডাকেন ইয়ান গোল্ড! এ নিয়ে

তুলকালাম হয়ে যায় ক্রিকেটবিশ্বে! খোদ ভারতের সাবেক ক্রিকেটাররা এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান।

ওই ম্যাচে এই দুই আম্পায়ার একাধিক ভুল সিদ্ধান্ত দিয়ে বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমীদের চক্ষুশূল হয়ে যান। সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় টাইগারদের। চার বছর পর আরও এক

বিশ্বকাপে আবারও সেমিফাইনালের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে

উঠতে হলে আজকের ম্যাচে টাইগারদের জিততেই হবে। এমন ‘মাস্ট উইন’ ম্যাচে আবারও আলিম দারের অ’পকর্ম! এদিন তামিম ইকবালের ওপেনিং সঙ্গী হয়েছিলেন লিটন। ১৭ বলে

২ বাউন্ডারিতে ১৬ রান করে ভালো কিছুর জানান দিচ্ছিলেন এই তরুণ।

ঠিক তখনই ছন্দপতন। মুজিব-উর-রহমানের বলে শর্ট কাভার থেকে ক্যাচ নেন হাশমতউল্লাহ শহিদি। ফিল্ড আম্পায়ার নিশ্চিত ছিলেন না আউট নিয়ে। তাই ডা’কা হয় তৃতীয় আম্পায়ার।

টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, বলটি শহিদির হাত ছুয়ে মাটি স্প’র্শ করেছে। অনেকক্ষণ ধরে

দেখার পরেও টিভি আম্পায়ার নিশ্চিত হতে পারছিলেন না, এটি আউট কিনা। এক্ষেত্রে

‘বেনিফিট অব ডাউট’ সবসময় ব্যাটসম্যানের পক্ষেই যায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তৃতীয় আম্পায়ার লিটনকে আউট ঘোষণা করেন!

বিশ্বকাপ এলেই কেন বাংলাদেশের শত্রু হয়ে যান এই পাকিস্তানি আম্পায়ার তা সত্যিই গবেষণার বিষয়।