মেধাতালিকায় ৩৩তম, টাকার অভাবে আ’টকে গেছে ভর্তি

রিকশাচালক বাবা ও গৃহকর্মী মায়ের ছেলে মনিন্দ্র নাথ রায়। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী এই ছেলেটিকে নিজেরা না খেয়ে খরচ বাঁচিয়ে স্কুল-কলেজে পড়িয়েছেন তার বাবা-মা।

ছেলে সার্থক করেছেন বাবা-মায়ের চেষ্টা, স্থান করে নিয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাতালিকায়। কিন্তু মাত্র ১১ হাজার টাকার অভাবে শঙ্কায় পড়েছে মেধাতালিকায় ৩৩তম হওয়া এই ছেলেটির ভর্তি। মনিন্দ্রের বাড়ি লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার মসরদৈলজোর গ্রামে।

মনিন্দ্রের বাবা হেমন্ত কুমার রায় বলেন, ‘নিজে না খেয়ে বেটারে স্কুল কলেজ পড়াইছং। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাইছে। কিন্তু হাতে কোনো ট্যাকা-পয়সা নাই। এজন্য মুই চিন্তা করি কুল পাংনা। কি করিম এলা। তোমরা আমাদের সাহায্য কর। যাতে মোর বেটা পড়ালেখা চালাই যেতে পারে।’

মনিন্দ্র এবার (২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ) বেরোবির ভর্তি পরীক্ষায় বি ইউনিটের প্রথম শিফটে (বিজ্ঞান) উত্তীর্ণ হয়েছেন। তার মেধাক্রম ৩৩। ভর্তির শেষ তারিখ আগামী ২-৩ ডিসেম্বর। ভর্তির জন্য এখন তার প্রয়োজন ১১ হাজার টাকা। কিন্তু মনিন্দ্রের পরিবারের পক্ষে এতো টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়। মনিন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে ০১৭৭৪০৮৭২৯৪ নম্বরে।

মনিন্দ্র বলেন, দরিদ্র মা-বাবার পক্ষে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সামর্থ্য নেই। পড়াশোনার খরচ চালানো পরিবারের পক্ষে সম্ভব ছিল না। এখনও সম্ভব নয়। তাই উচ্চ শিক্ষার যে স্বপ্ন দেখতাম তা অর্থের অভাবে অনিশ্চয়তায় পড়েছে।