বী’র্যপাত বন্ধ রেখে রাতভর স’হবাস করতে যা করবেন স’হবাসের সময়

স্বা’মী স্ত্রী পবিত্র মি’লনের মাধ্যমে সু’খ লাভ করে। ইসলামে স্বা’মী স্ত্রীর মি’লনকে বেহেশতের সু’খের সাথে তুলনা করা হয়েছে। বৈজ্ঞানিকভাবে ও প্রামণিত যে অধিক সময় যাবত্‍ যৌ*aন মি’লন অত্যন্ত সু’খের।

তবে এই আ’নন্দ তখনই মাটি হয়ে যায় যখন দ্রু’ত বী’র্যপাতন হয়ে যায়। অধিক সময় ধরে যৌ*aন মি’লন করার জন্য আপনার ডক্টর তিনটি পদ্ধতির সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে।

মি’লনে পুরু’ষের অধিক সময় নেওয়া পুরু’ষত্বের মুল যোগ্যতা হিসাবে গন্য হয়। যেকোন পুরু’ষ ব’য়সের সাথে সাথে স’হবাসের নানাবিধ উপায় শিখে থাকে।

এখানে বলে রাখতে চাই ২৫ বছরের কম ব’য়সী পুরু’ষ সাধারনত অধিক সময় নিয়ে স’হবাস করতে পারেনা। তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যবধানে পুনরায় উ’ত্তেজিত/উত্ত’প্ত হতে পারে। ২৫-এর পর ব’য়স যত বাড়বে স’হবাসে পুরু’ষ তত অধিক সময় নেয়। কিন্তু ব’য়স বৃ’দ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জা’গ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যবধানও বাড়তে থাকে।

তাছাড়া এক না’রী কিংবা এক পুরু’ষের সাথে বার বার স’হবাস করলে যৌ*aন মি’লনে অধিক সময় দেয়া যায় এবং স’হবাসে বেশি তৃ’প্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরূপ: নিয়মিত স’হবাসে একে অপরের শ’রীর এবং ভাল লাগা কিংবা মন্দ লাগা, পছন্দসই আসনভ’ঙ্গি, সু’খ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সম্প’র্কে ভালভাবে অবহিত থাকে।

পদ্ধতি ১: চে’পে/টি’পে (স্কুইজ) ধরা: অধিক সময় ধরে যৌ*aন মি’লন করার এই পদ্ধতিটি আবি’ষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যাক্তি। চে’পে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়? যখন কোন পুরু’ষ মনে করেন তার বী’র্য প্রায় স্থলনের পথে,

তখন সে অথবা তার স’ঙ্গী লি*ঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লি*ঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে মুত্র/বী’র্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা/মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চে’পে ধরবেন। (লি*ঙ্গের পাশ থেকে দুই আ’ঙ্গুল দিয়ে ক্লিপের মত আ’টকে ধরতে হবে।)। চা’প ছেড়ে দেবার পর ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন।

এই সময় লি*ঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌ*aন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন।এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরু’ষ কিছুক্ষনের জন্য লি*ঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন।

কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পুর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লি*ঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে।স্কুইজ পদ্ধতি এক মি’লনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামীর প্রমাণ ছাড়া আর কিছু নয়।

পদ্ধতি ২: সংকোচন (টেনসিং): অধিক সময় ধরে যৌ*aন মি’লন করার এ পদ্ধতি সম্প’র্কে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই। আমরা প্র’স্রাব করার সময় প্রসাব পুরোপুরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খি’চুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চা’প দেই এখানে বর্নিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম।

তবে পার্থক্য হল এখনে আমরা খি’চুনী প্রয়োগ করবো – চা’প নয়।এবার মুল বর্ননা – মি’লনকালে যখন অনুমান করবেন বী’র্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল যৌ*aন কর্যক্রম বন্ধ রেখে অন্ডকোষের তলা থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শ’ক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খি’চুনী দিন।

এভাবে ২/১ বার করার পর যখন দেখবেন বী’র্য স্থলনেরে চা’প/অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার যৌ*aন কর্ম শুরু করুন।সংকোচন পদ্ধতি আপনার যৌ*aন মি’লনকে দীর্ঘায়িত করবে। আবারো বলি, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

পদ্ধতি ৩: বিরাম (টিজিং / পজ এন্ড প্লে): এ পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃত্‍। সাধারনত সব যুগল এ পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে মি’লনকালে বী’র্য স্থলনের অবস্থানে পৌছালে লি*ঙ্গকে বাহির করে ফেলুন অথবা ভিতরে থাকলেও কার্যকলাপে বিরাম দিন। এই সময় আপনি আপনাকে অন্যমনস্ক করে রাখতে পারেন।

অর্থ্যত্‍ সু’খ অনুভুতি থেকে মনকে ঘুরিয়ে নিন।যখন অনুভব করবেন বী’র্যের চা’প কমে গেছে তখন পুনরায় শুরু করতে পারেন।বিরাম পদ্ধতির সফলতা সম্পুর্ন নির্ভর করে আপনার অভ্যাসের উপর।

প্রথম’দিকে এ পদ্ধতির সফলতা না পাওয়া গেলেও যারা যৌ*aন কার্যে নিয়মিত তারা এই পদ্ধতির গুনাগুন জানেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করবেন না।

পরিশিষ্ট: উপরের সবকয়টি পদ্ধতি আপনার স’ঙ্গীর তৃ’প্তির উদ্দেশ্যে। অনেকের ধারনা না’রী এ ট্রিকস্ গুলো অনুমান বা জানতে পারলে পুরু’ষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। ধারনাটি সম্পুর্ন ভু’ল। আপনি আপনার স্ত্রী’কে পদ্ধতিগুলো বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন সেই আপনাকে সাহায্য করছে। কারন সে জানে আপনি বেশি সময় নেয়া মানে সে লাভবান হওয়া। স্ত্রীরও উচিত স্বা’মীর প্রতি যত্নশীল হওয়া।