ক্লাসের ফাঁকে নামাজ আদায় করছে শিক্ষার্থীরা!

মাশাআল্লাহ হযরত আবূ হুরাই’রা (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কি জান গীবাত কাকে বলে?

উপস্থিত সাহাবীগণ বলেছেন, আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিক জানেন। তিনি বললেনঃ তোমার ভাই যে কথা তার প্রস’ঙ্গে বলা অপছন্দ মনে করে তার অসাক্ষাতে তা বলার নাম গীবাত।

কেউ বললোঃ আপনি কি মনে করেন আমি যা বলছি তা যদি তার মধ্যে বিদ্যমান থাকে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যা বলছ তা যদি তার মধ্য থাকে তাহলে তুমি তার গীবাত করলে, আর যদি তার মধ্যে তা না থাকে তুমি তার উপর মিথ্যা অ’পবাদ দিলে।

মু’সলিম শরীফ। হাদিস নং – ২৫৮৯, তিরমিযী শরীফ। হাদিস নং – ১৯৩৪, আবূ দাউদ শরীফ। হাদিস নং – ৪৮৩৪,মুসনাদে আহমাদ। হাদিস নং – ৭১০৬, ৮৭৫৯.

হযরত আবুদ দারদা (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক তার কোন ভাইয়ের মান-সম্মানের উপর আ’ঘাত প্রতিরোধ করে, কিয়ামত দিবসে আল্লাহ্‌ তাআলা তার মুখমন্ডল হতে জাহান্নামের আ’গুন প্রতিরোধ করবেন।
জামে আত-তিরমিজি।