জানা গেলো বিয়ের পর মেয়েদের ওগুলো বড়ো হয়ে যাওয়ার কারণ (গবেষণা)

মানুষের জীবনের বিয়ের থেকে কোনো বড়ো সম্পর্ক আর একটা হয়না। সব ছেলে মেয়েরই স্বপ্ন থাকে একদিন তাদের বিয়েটাও ধুমধাম করে হবে।

কিন্তু এমন অনেক মানুষও আছে যাদের বিয়ে হয়ে ওঠেনা। সেটা অবশ্য সংখ্যায় অতি কম। বিয়ের জন্য নিজের পছন্দের সঙ্গীকে পেলে তো কোনো কথাই নেই। কারণ আপনি তাকে ভালোভাবে চেনে।

কিন্তু অ্যারেঞ্জ ম্যারেজের সময় ছেলেদের মনে নানা প্রশ্নই ঘোরাফেরা করে। সাধারণত বিয়ের জন্য উৎসাহিত মেয়েরাই বেশী থাকে। কারণ সে চায় যে তার স্বামী যেনো তাকে বিয়ের সাজে দেখে তার থেকে চোখ না হাটাতে পারে।

তার জন্য সে খুব পরিশ্রমের সাথে নিজেকে তৈরী করে।বিয়েতে যাতে তাকে এক রাজকন্যার মতো লাগে সেজন্য মেয়েরা বিয়ের আগে থেকেই ডায়েটিং শুরু করে দেয়।

এছাড়া শাড়ি যাতে ফিটিং থাকে সেজন্য তারা সেগুলো বেছে বেছে কেনে।কিন্তু বিয়ের আগে এত পরিশ্রম করার পরও মেয়েদের শরীর এত ফুলে ফেঁ’পে ওঠে কেনো জানেন?

এই প্রশ্নের উত্তর প্রায় সব ছেলেদের মনে আসে যে সেদিনের উ’চ্চিংড়ে মেয়েটা বিয়ের পর এত সে’ক্সি হলো কিকরে? গবেষণায় দেখা গেছে বিয়ের পর মেয়েদের স্ত’ন ও তাদের কোমড় প্রচুর বড়ো হয়ে যায়।

যেটি নিয়ে গবেষকরা বলছেন এর কারণ অধিক পরিমাণে যৌ’ন মিলন। বিয়ের পর মেয়েরা স্বামীর সাথে প্রায় প্রতি রাতেই শা’রীরিক সম্পর্কে মেতে ওঠে।

একটি সা’র্ভেতে এর কারণ জানার চেষ্টা করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে যে বিয়ের আগে মেয়েরা ডায়েটের মাধ্যমে তাদের শরীরের যথেষ্ট খেয়াল রাখতো। কিন্তু বিয়ের পর সংসারের কাজকর্মের পর আর নিজের শরীর দেখা চলেনা। তাই যা রান্না হয় তাই খেয়ে নেয়। এর ফলে তারা ফুলে ফেপে ওঠে।

মাত্র একটি পাতায় ৯টি রোগ থেকে মুক্তি!

ছোট্ট প্রায় গোলাকৃতি পাতা। নাম থানকুনি। খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। ল্যাটিন নাম centella aciatica। গ্রামাঞ্চলে থানকুনি পাতার ব্যবহার আদি আমল থেকেই চলে আসছে। এর মধ্যে রয়েছে ওষুধি সব গুণ। থানকুনি পাতার রস রোগ নিরাময়ে অতুলনীয়।

রোগ নিরাময়ে থানকুনি যথার্থ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। অঞ্চলভেদে থানকুনি পাতাকে আদামনি, তিতুরা, টেয়া, মানকি, থানকুনি, আদাগুনগুনি, ঢোলামানি, থুলকুড়ি, মানামানি, ধূলাবেগুন, নামে ডাকা হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে কেউ যদি নিয়মিত থানকুনি পাতা খান, তাহলে মাথার চুল থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত শরীরের প্রতিটি অংশের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে।

চলুন যেনে নেয়া যাক, থানকুনির ওষুধি সব গুণ সম্পর্কেঃ-

আমাশয় দূর করে
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নিয়ম করে থানকুনি পাতা খেতে হবে। টানা ৭ দিন খেলে মামলা খালাস!

পেটের রোগের চিকিৎসা
অল্প পরিমাণ আম গাছের ছালের সঙ্গে ১টা আনারসের পাতা, হলুদের রস এবং পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা ভালো করে মিশিয়ে বেটে নিন। মিশ্রনটি নিয়মিত খেলে অল্প দিনেই যে কোনো ধরনের পেটের অসুখ সেরে যায়।

কাশির প্রকোপ কমে
২ চামচ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে অল্প করে চিনি মিশিয়ে খেলে সঙ্গে সঙ্গে কাশি কমে যায়। আর যদি এক সপ্তাহ খেতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই।

জ্বরের প্রকোপ কমে
জ্বরের ধাক্কায় কাবু হয়ে পড়েন অনেকে। তাদের থানকুনি পাতা খাওয়া জরুরি। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে উল্লেখ আছে- জ্বরের সময় ১ চামচ থানকুনি এবং ১ চামচ শিউলি পাতার রস মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে অল্প সময়েই জ্বর সেরা যায়।

src=”https://i.imgur.com/Hjjwsnc.jpg” />

চুল পড়ার কমে যায়
সপ্তাহে ২-৩ বার থানকুনি পাতা খেলে স্কাল্পের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। ফলে চুল পড়া কমতে শুরু করে। পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা নিয়ে তা থেঁতো করে নিতে হবে।

তারপর তার সঙ্গে পরিমাণ মতো তুলসি পাতা এবং আমলা মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। সবশেষে পেস্টটা চুলে লাগিয়ে নিয়ে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। ১০ মিনিট পরে ভাল করে ধুয়ে ফেললেই হবে।

শরীর থেকে বেরিয়ে যায় টক্সিক উপাদান
ক্ষতিকর টক্সিন আমাদের শরীরে, র-ক্তে প্রবেশ করে। কিন্তু প্রতিদিন সকালে অল্প পরিমাণ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদান বেরিয়ে যায়।

ক্ষতের চিকিৎসা
শরীরের কোথাও কেটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে অল্প করে থানকুনি পাতা বেঁটে লাগিয়ে দেবেন। দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে।

হজম শক্তি বৃদ্ধি
থানকুনি পাতা হজম ক্ষমতারও উন্নতি করে। থানকুনি পাতায় উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ যাতে টিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না।

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে নো প্রবেলম! থানকুনি পাতা কিনে আনুন বাজার থেকে। তাহলেই দেখবেন সমস্যা একেবারে হাতের মধ্যে চলে আসবে। আসলে এক্ষেত্রে একটা ঘরোয়া চিকিৎসা দারুণ কাজে আসে।

কী সেই চিকিৎসা? হাফ লিটার দুধে ২৫০ গ্রাম মিশ্রি এবং অল্প পরিমাণে থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে একটা মিশ্রন তৈরি করুন। তারপর সেই মিশ্রন থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে প্রতিদিন সকালে খাওয়া শুরু করুন। এক সপ্তাহ করলেই হাতেনাতে মিলবে উপকার।