পেপসি-কোকোকোলা সিগারেটের মতোই ক্ষতিকর!

গরমে কোমল পানীয় খেয়ে হয়ত সামান্য সময়ের জন্য স্বস্তি পাচ্ছেন। তবে আপনি কি জানেন ডেকে আনছেন ভয়াবহ শ’রীরিক ক্ষ’তি?







অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানীয় পান করলে শরীরের অনেক ক্ষ’তি হয়৷ কোমল পানীয়, কেক, মিষ্টি ও চিনিজাতীয় খাবারগুলো শরীরের জন্য মা’রাত্মক ক্ষতিকর। বিশেষ করে কোমল পানীয় শিশুদের থেকে দূরে রাখুন।







হার্ভাড ইউনিভার্সিটির টিএইচ চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথ পরিচালিত নতুন একটি গবেষণা জানিয়েছে, চিনি দিয়ে বা কৃত্রিম মিষ্টি দিয়ে তৈরি কোমল পানীয় আগাম মৃ’ত্যুর ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দিচ্ছে। কারণ এসব খাবারের কারণে হৃ’দরোগ এবং কয়েক ধরনের ক্যা’ন্সারের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। খবর -বিবিসির।







যুক্তরাজ্যের ইনস্টিটিউট অব পাবলিক পলিসি রিসার্চ এর বিজ্ঞানীরা বলছেন, অ’তিরিক্ত চিনি খাওয়া ধূমপানের মতোই ক্ষ’তিকর হতে পারে।তাই অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না। ইতোমধ্যে দেশটিতে অতিরিক্ত চিনি দেওয়া খাবার যেমন কোমল পানীয়, কেক, মিষ্টি ইত্যাদির ওপর প্রচুর করারোপ করা হয়েছে।







প্রতিষ্ঠানটির দাবি, অ’তিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবারের স্বা’স্থ্য ঝুঁ’কি রয়েছে। তাই এসব খাবার বাজারজাত করার ক্ষেত্রে সাধারণ মোড়ক ও বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন ব’ন্ধ করতে হবে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় ডায়েট অ্যান্ড নিউটিশন সার্ভে নামের এক জরিপে দেখা গেছে, একজন টিনএজারের যতটুকু চিনি খাওয়া প্রয়োজন তার চেয়ে তিনগুণ বেশি খাচ্ছে।







আইপিপিআরের পরিচালক টম কিবাসি বলেন, মি’ষ্টিজাতীয় খাবার ও অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ক্ষেত্রে শরীরে বড় পরবির্তন ঘটতে পারে। তবে চিনি জাতীয় খাবার উৎপাদন প্রতিষ্ঠাগুলো বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তুলেছে। তারা বলছে, এটা ব্যবসার স্বাধীনতাবিরোধী।







তবে ধূমপান কমাতে সিগারেট মোড়কে যেমন ক্ষ’তিকর সতর্কবার্তা দেয়া হয় তেমনি কোমল পানীয়, কেক, মিষ্টি ও চিনিজাতীয় খাবার বাজারজাত করার ক্ষেত্রে সাদা মোড়কে ক্ষ’তিকর স’তর্কবার্তা দেয়া প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।