ডিম খেতে না দেয়ায় স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিকের সাথে পালাল স্ত্রী

ডিম খেতে না দেয়ায় স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিকের সাথে পালাল স্ত্রী পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে সংসার ভেঙেছে অনেক উদাহরণ আছে কিন্তু স্বামী ডিম খেতে দেয় না তাই প্রেমিকের সাথে পালিয়ে গেলো গৃহবৃধূ এ ঘটনা হয়তো প্রথমই ঘটলো।এই ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরে। জানা গেছে, কয়েক বছর আগে গোরক্ষপুরের বাসিন্দা পেশায় দিনমজুর এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ওই যুবতীর।

বিয়ের পর প্রথমে সবকিছু ঠিক থাকলেও কিছুদিন বাদে ডিম খাওয়া নিয়ে গন্ডগোল শুরু হয় দু’জনের। ডিম খেতে খুব ভালবাসত যুবতীটি। কিন্তু, স্বামী কিছুতেই রোজ ডিম খেতে দিত না তাঁকে। ডিম খাওয়া নিয়ে প্রতিদিন কথা কাটাকাটি হত।বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিবেশী এক যুবক ওই গৃহবধূর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে। প্রতিদিনই তাকে ডিম খাওয়াতে শুরু করে। এর জেরে ওই যুবকের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার।একদিন পালিয়ে যায় এই যুবক-যুবতী। পরে পুলিশ তাদের খুঁজে বের করলে পরিবারের সদস্যরা বুঝিয়ে আবার পাঠায় দিনমজুর যুবকের কাছে। কিন্তু গত রবিবার থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না সেই নারীকে। সাথে ওই যুবককেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না যার সাথে আগে এক পালিয়ে ছিলো। ধারণা করা হচ্ছে আবার দু’জনে একসঙ্গে পালিয়েছে।

মেয়েরা ছেলেদের এই কথায় দুর্বল হয়ে যায় : লাইফস্টাইল ডেস্ক : নারী শব্দটির মধ্যেই যেন পৃথিবীর সমস্ত রহস্য লুকিয়ে আছে। নারীরা চপলমতি হন, স্থির বুদ্ধিসম্পন্ন হন আবার ভাবুক প্রকৃতিরও হন। নারীরা ভিন্ন দেহ বৈচিত্র্য এবং ভিন্ন রূপ বৈচিত্র্যের অধিকারী হন, ভিন্ন তাঁদের চাওয়া পাওয়া। কিন্তু একটি দিকে তারা সবাই অনেকটা একই রকম হয়ে থাকেন।

আর সেটা হলো প্রেমিক পুরুষের ক্ষেত্রে। যেমন এমন অনেক কথা আছে যেগুলো নারীরা পুরুষদের মুখ থেকে শুনতে ভীষণ পছন্দ করেন। তাই নারীকে খুশি করার জন্য একঝাঁক তরুণ গবেষণা করে সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু বাক্য খুঁজে বের করতে সক্ষম হয়েছেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক নারীকে খুশি করার সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু বাক্য।১.তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে : এটা খুবই সাধারণ একটি কথা যা প্রতিটি নারী তাদের আকাঙ্খিত পুরুষদের কন্ঠ থেকে শুনতে পছন্দ করেন। সেই নারী

হোক সুন্দর বা অসুন্দর তবু এই কয়েকটি শব্দ তাদেরকানে লাগে সুমধুর। কোনো পুরুষ যদি মুগ্ধতার বশে বলে নয়ে তোমাকে আজ বেশ সুন্দর লাগছে তাহলে নারীরা খুশি হয়ে যান। এই বাক্যটি তখন তাদের কাছে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ বাক্য মনে হয়।২.তুমি আমার জীবনের প্রথম নারী : প্রতিটি নারীই চানতার পুরুষটি যেন তাকে অনেক বেশি ভালোবাসেন এবং তাকে ছাড়া যেন দ্বিতীয় কোনো নারীর দিকে তারা না তাকান।আর তিনি হয়ে থাকেন সেই পুরুষের জীবনের প্রথম নারী তাহলে তার জীবনে অপূর্ণতার আর কিছুই থাকে না। পুরুষ সঙ্গীটির মুখে একজন নারী শুনতে চান যে ‘তুমি আমার জীবনের প্রথমনারী’ এই বাক্যটি। সেটি যদি মিথ্যাও হয়ে থাকে তারপরও তার কাছে সেটি চরম সত্যি কথা।

৩.তুমি অনেক আবেদনময়ী : অন্যান্য কথার সাথে এই কথাটাও অনেক প্রিয় একজন নারীর কাছে।পুরুষসঙ্গীটি বেশি আবেদনময়ী বলে পছন্দ করেন এটি তার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সত্য বলে তার মনে হয়।৪.তুমি কি আমার সাথে তোমার সারাটি জীবন কাটাবে : প্রতিটি মানুষের আলাদা কিছু সত্ত্বা রয়েছে। এ কারণে আলাদা সত্ত্বার মানুষগুলো ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।

ভিন্ন ভিন্ন সত্ত্বার মানুষগুলোর জীবন সঙ্গীকে প্রপোজ করার পদ্ধতিও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। একজন নারী বৈচিত্র্যপূর্ণভাবে প্রপোজে বেশি খুশি হয়। তার মধ্যে এটি একটি যেমন তুমি কি আমার সাথে তোমার সারাটিজীবন কাটাবে?এ ধরনের বাক্যেও একজন নারী অনেক বেশি খুশি হয়ে থাকেন।

৫.তুমি কি মনে করো : কোনো একটা বিষয়ে যদি পুরুষ সঙ্গীটিজিজ্ঞাসা করে বা জানতে চায় যে এই বিষয়টি সম্পর্কে তুমি কি মনে কর বা কোনো একটা বিষয় সম্পর্কে যদি তার মতামত জিজ্ঞাসা করে তাহলে নারীটি ভীষণ খুশি হয়ে থাকে। তারা ভাবেন যে তাদের মতামতেরওমূল্য দিচ্ছেন তারপুরুষ সঙ্গীটি।৬. তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ : এমন কথা শুনতে কার না ভালো লাগে। একজনের জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ এর চেয়ে বেশি পাওয়ার আর কি হকে পারে। এই ধরনের কথাতেও একজন নারী যার পর নাই খুশি হয়ে থাকেন।