জামাইকে ভালোবেসে বিয়ে করলেন শাশুড়ি..

প্রায় দুই বছর আগেই প্রেম করে বিয়ে হয়েছিল প্রসেনজিত হাজরা ও অনুরূপা বর্মনের। তাদের একটি ছোট্টো সন্তানও রয়েছে।

বিয়ের পর থেকে শ্বশুর বাড়িতেই ঘরজামাই হিসেবে থাকত প্রসেনজিত। অনুরূপার বাবা যিনি পেশায় ফুচকা বিক্রেতা কৃষ্ণ বর্মন জানিয়েছেন, বিয়ের আগে নিজেকে ঠিকাদার হিসেবে পরিচয় দিয়ে তার মেয়েকে ফুঁসলিয়ে বিয়ে করেছিলো প্রসেনজিত।

পরে দেখা যায় যে তার পেশা শুয়োর পালন। মেয়ের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে জামাইয়ের থাকার ব্যবস্থার সঙ্গে নিজের টাকা দিয়ে ব্যবসাও ধরিয়ে দেন তিনি। অনুরূপা বর্মন জানিয়েছেন, কয়েক দিন আগে দুপুরে খাওয়া দাওয়ার পর তাদের ছোট ছেলে, তিনি ও তাঁর মা মঙ্গলী বর্মন (৪০) ও স্বামী প্রসেনজিত(২৫) শুয়ে বিশ্রাম করছিলেন।

ঘুম থেকে ওঠার পরে তিনি দেখেন মা ও স্বামী নেই। এর আগেও তাদের ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে ফেলায় বিষয়টি নিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই বাবাকে ও প্রতিবেশীদের বলেন। থানায় নিখোঁজের ডায়েরিও করা হয়। থানায় স্বামীর বিরুদ্ধে মাকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে যাওয়া ও প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে তারা দুজন ধরাও পড়ে যায়। তাদের সম্পর্কের কথা স্বীকারও করে নিয়েছিলেন মঙ্গলী বর্মন। শাশুড়ি-জামাইয়ের এই কাণ্ডের পর এলাকায় কার্যত হইচই পড়ে গিয়েছে। বাড়ি থেকে প্রায় বেরনোই বন্ধ বাবা কৃষ্ণ বর্মন ও মেয়ে অনুরূপার।