করোনার মধ্যেও হো’টেলে অ`সা’মাজিক কাজ- আ’টক ১২ ত’রুণ-ত’রুণী

সিলেট মহা’নগরের দক্ষিণ সুরমায় একটি আ’বাসিক হো’টেলে অ-সা’মাজিক কা’র্যকলাপে

লিপ্ত থাকার অ’ভিযোগে ১২ ত’রুণ-তরু’ণীকে আ-ট’ক করেছে পু’লিশ। এদের মধ্যে

পাঁচ’জন ত’রুণী ও সাতজন ত’রুণ। শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে সিলেট ম’হানগর পু’লিশের

(এসএমপি) গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক প্রেস বি’জ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো

হয়েছে।

বিজ্ঞ’প্তিতে উল্লেখ করা হয়, শুক্র’বার রাত সোয়া ১২টার দিকে সহ’কারী পু’লিশ

কমিশনার মো. ইসমাইলের নেতৃত্বে দক্ষিণ সুরমা থা’না পু’লিশের একটি দল অ’ভিযান

চালিয়ে কদমতলি এলাকার হো’টেল তিতা’স থেকে ১২ ত’রুণ-তরু’ণীকে আ’টক করে।

সিলেট মহানগর পু’লিশের অতি’রিক্ত উপ’পু’লিশ কমি’শনার (মিডিয়া) মো. জেদান আল

মুসা বলেন, আট’কদের বি-রু’দ্ধে মা’মলা দিয়ে শনিবার তাদের আ’দালতে পাঠানো

হয়েছে।

আরো পড়ুন: করোনা ভাইরাসের এই দুর্যোগময় সময়ে অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে নিজের দুটি ব্যাট

নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। তবে নিলামে ব্যাট বিক্রির

আগেই অসহায়দের জন্য অবদান রেখে যাচ্ছেন দেশের ক্রিকেটের সাবেক অধিনায়ক।

আশরাফুল জাতীয় দলে নেই। তবে বিসিবির প্রথম শ্রেণির চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটার তিনি। ‘এ’

গ্রেডে থাকা আশরাফুল বিসিবি থেকে পাওয়া তিন মাসের বেতনের পুরোটাই ব্যয়

করছেন অসহায়দের মাঝে।

আশরাফুল বলেন, তিন মাসের বেতন তো খুব বেশি নয়। ৮১-৮২ হাজার টাকা। ব্যাটটা

নিলামে বিক্রি হলে বড় কিছু করতে পারবো। তার আগে আপাতত অসহায়দের জন্য

এতটুকুই করতে পেরেছি। আরো করার ইচ্ছা আছে। আশরাফুলে নিলামে তুলতে চান

তার সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরির ইতিহাস গড়া ব্যাট এবং কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে

সেঞ্চুরির ব্যাটটি।
আরো পড়ুন: রোজায় সুস্থ থাকতে হলে যেসব খাবার খাবেন
রমজান মাসে সবাই রান্না ও খাবার খাওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে। তবে আপনি

জানেন কী– এসব ভাজা-পোড়া ও গুরুপাক খাবার স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়।

সারাদিন রোজা রেখে পাকস্থলী খুব ক্ষুধার্ত ও দুর্বল থাকে। এ সময় এত রকম গুরুপাক

খাবার একসঙ্গে খেলে পেটের সমস্যা, মাথাব্যথা, দুর্বলতা, অবসাদ, আলসার, অ্যাসিডিটি

ও হজমের সমস্যা হতে পারে। আবার ওজনও বেড়ে যায়।

তাই রোজায় সুস্থ থাকতে নিয়ম মেনে খাবার খেতে হবে।

কী খাবেন?

১. ডিমের কুসুম, কলিজা, মাছের ডিম, খাসি, গরুর চর্বিযুক্ত মাংস, হাঁস-মুরগির চামড়া,

হাড়ের মজ্জা, ঘি, মাখন, ডালডা, সয়াবিন, গলদা চিংড়ি, নারিকেল।

২. আঁশযুক্ত খাবার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তাই খেতে পারেন সব রকমের ডাল,

পুঁইশাক, খোসাসহ সবজি যেমন ঢেঁড়স, বরবটি, কচুরলতি, শিম।

৩. টকজাতীয় খোসাসহ পেয়ারা, জাম্বুরা, আমলকী খেতে পারেন।

৪. সব রকমের মাছ খেতে পারেন। বিশেষ করে সমুদ্রের মাছ, ছোট মাছ, মাছের তেল,

উদ্ভিজ তেল, সানফ্লাওয়ার ওয়েল, সয়াবিন তেল ও দুধ।

যেসব খাবার কম খেতে হবে

১. শর্করাজাতীয় খাবার ভাত, রুটি, আলু ও মিষ্টি আলু।

২. মিষ্টি ফল যেমন– পাকা আম, টাটকা ফল ও পাকা পেঁপে।

৩. মিষ্টি খাবার ফিরনি, সেমাই।