মি’লনকালে মেয়েরা ব্যথা পাওয়ার ৫টি কারণ

যৌ’ন মি’লনে না’রী শুধু যে তৃ’প্তি পায় এমন কিন্তু না। বিভিন্ন কারণে না’রী যৌ’ন মি’লনকালে ব্যা’থা পেতে পারে। যৌ’ন মি’লনে নারী যে ব্যা’থা পাবে এটা আবার সব ক্ষেত্রেও না। এমন কিছু কিছু বিশেষ ঘটনা ও পরিস্থিতিতে নারী যৌ’ন মি’লনে ব্যথা পেয়ে থাকেন।যার কারণে যৌ’ন মি’লন তাঁদের কাছে ক’ষ্ট দায়ক হয়ে থাকে। নারীর যৌ’ন মি’লন ব্যথাদায়ক হওয়ার কিছু কারণ উল্রেখ করা হলো- ১) নারীর যৌ’ন মি’লনকালে য’নীতে কা’মরস বের হয়, যেটা পুরুষাঙ্গের চলন সহজ করে। কোন কারণে যদি না’রীর য’নীতে পি’চ্ছিলকারক পানি না আসে, এমন অ’বস্থায় যৌ’ন মি’লনে না’রী ব্যাথা পায়। ২) মা’সিক বা পি’রিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যৌ’ন মি’লনে নারী ব্যাথ পেতে পারে। ৩) নারীর যো’নীর আকার থেকে যদি পুরুষাঙ্গ বড় হয়, তবে যৌ’ন মি’লনে নারী ব্যা’থা অ’নুভব করে। ৪) মাসিক বা পিরিয়ড চলাকালে নারী এমনিই অনেকটা অ’সু’স্থ্য থাকে। ত’লপে’টে অনেকের প্রচুর ব্যা’থা হয়। এই সময় যদি যৌ’ন মি’লন হয় তবে অনেক না’রী আছে যারা ব্যাথা পায়। ৫) কোন না’রী সর্বপ্রথম যৌ’ন মি’লন করে থাকে সেটা স্বভাবিকভাবেই একটু ব্যা’থা দা’য়ক হবেই।এই ব্যা’থাটা সাময়িক পরবর্তীতে যৌ’ন মি’লনকালে এমন র না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ প্রথম যৌ’ন মি’লনে না’রীর হা’ইমেন ছিঁ’ড়ে যাওয়ার জন্য এমনটি হয়। যৌ’ন মি’লন একটি আ’নন্দময় অ’ভিজ্ঞতা। কোন সমস্যা না থাকলে যৌ’ন মি’লনে ব্য’থা পাবার ঘটনা ঘটে না। প্রথম মি’লনের সময়েই একটু ব্য’থার অনুভূতি হবে। এটা বাদ দিলে সু’স্থ ও সাধারণ যৌ’ন মি’লনে ব্যথা বা ভ’য়ের কিছুই নেই। ঘরের যে সকল জিনিসে রয়েছে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রা’দুর্ভাব বেড়েই চলেছে। কোভিড-১৯ নামের নতুন এই করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে ইতিমধ্যে ৯০ হাজারের বেশি লোক আ’ক্রান্ত হয়েছেন।’ মা’রা গেছেন ৩ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষ। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হু’বেই প্রদেশের উ’হান শহর থেকে এই ভা’ইরাসটি ছড়ায়। আর এখন চীনের বাইরেও একের পর এক দেশে এই ভা’ইরাসের প্রাদু’র্ভাব দেখা দিচ্ছে। নিয়মিত হাত ধোয়া বা টিস্যুতে হাঁচি দেওয়া- ভাইরাসটিতে আ’ক্রান্ত হওয়ার ঝুঁ’কি কমাতে এ ধরনের কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আপনি নিতে পারেন। যা হোক, ভাইরাসটিকে বেশ কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত শক্ত পৃ’ষ্ঠের উপরে বেঁচে থাকতে দেখা গেছে। যার মানে হচ্ছে, প্রতিদিনের ব্যবহার্য জিনিসপত্র এবং শক্ত পৃষ্ঠগুলো ভা’ইরাসটির আবাসস্থল হতে পারে।’ আপনার বাসা-বাড়ি যতটা সম্ভব কম ঝু’কিঁপূর্ণ নিশ্চিতে সহায়তা করতে যুক্তরাষ্ট্রের রো’গ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি), আপনার ঘরের ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ স্থানের একটি তালিকা তৈরি করেছে। ঘরের এসব স্থানগুলো জী’বাণুমুক্ত রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।’ করোনাভাইরাস বসবাস করতে পারে ঘরের এমন স্থানগুলো হলো- *কি’চেন কাউন্টার টপস *টেবিল *দরজার হাতল *বাথরুমের ফি’ক্সচার *টয়লেট *ফো’ন *কি’বোর্ড *ট্যা’বলেট পিসি *টেবিলের আশপাশে *যেকোনো পৃষ্ঠ- যেখানে র’ক্ত, ম’ল বা শরীরের ত’রল লেগে থাকতে পারে।’ উচ্চ ঝুঁ’কির এসব স্থান পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে: সিডিসির পক্ষ থেকে, ঘরের জিনিসপত্র নিয়মিতভাবে জী’বাণুনাশক স্প্রে’ দিয়ে পরিষ্কার করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া স্প্রে ব্যবহারের সময় গ্লা’ভস পরার পাশাপাশি ঘরে বায়ু চলাচল নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। সিডিসি’র মতে, নিজের জিনিসপত্রগুলো পরিবারের অন্য সদস্যের সঙ্গে শেয়ার না করা বু’দ্ধিমানের কাজ হবে।’ সিডিসি বলছে, ‘আপনার বাড়ির অন্যান্য লোক বা পো’ষা প্রাণীর সাথে আপনার বা’সন, চ’শমা, কাপ, খাবারের পাত্র, তোয়ালে বা বি’ছানা ভাগ করা উচিত নয়।এসব জিনিসপত্র ব্যবহার করার পর সেগুলো সাবান এবং পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলার পরামর্শ সিডিসি’র।’ যৌ’ন মি’লনে না’রী শুধু যে তৃ’প্তি পায় এমন কিন্তু না। বিভিন্ন কারণে না’রী যৌ’ন মি’লনকালে ব্যা’থা পেতে পারে। যৌ’ন মি’লনে নারী যে ব্যা’থা পাবে এটা আবার সব ক্ষেত্রেও না। এমন কিছু কিছু বিশেষ ঘটনা ও পরিস্থিতিতে নারী যৌ’ন মি’লনে ব্যথা পেয়ে থাকেন।যার কারণে যৌ’ন মি’লন তাঁদের কাছে ক’ষ্ট দায়ক হয়ে থাকে। নারীর যৌ’ন মি’লন ব্যথাদায়ক হওয়ার কিছু কারণ উল্রেখ করা হলো- ১) নারীর যৌ’ন মি’লনকালে য’নীতে কা’মরস বের হয়, যেটা পুরুষাঙ্গের চলন সহজ করে। কোন কারণে যদি না’রীর য’নীতে পি’চ্ছিলকারক পানি না আসে, এমন অ’বস্থায় যৌ’ন মি’লনে না’রী ব্যাথা পায়। ২) মা’সিক বা পি’রিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যৌ’ন মি’লনে নারী ব্যাথ পেতে পারে। ৩) নারীর যো’নীর আকার থেকে যদি পুরুষাঙ্গ বড় হয়, তবে যৌ’ন মি’লনে নারী ব্যা’থা অ’নুভব করে। ৪) মাসিক বা পিরিয়ড চলাকালে নারী এমনিই অনেকটা অ’সু’স্থ্য থাকে। ত’লপে’টে অনেকের প্রচুর ব্যা’থা হয়। এই সময় যদি যৌ’ন মি’লন হয় তবে অনেক না’রী আছে যারা ব্যাথা পায়। ৫) কোন না’রী সর্বপ্রথম যৌ’ন মি’লন করে থাকে সেটা স্বভাবিকভাবেই একটু ব্যা’থা দা’য়ক হবেই।এই ব্যা’থাটা সাময়িক পরবর্তীতে যৌ’ন মি’লনকালে এমন র না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ প্রথম যৌ’ন মি’লনে না’রীর হা’ইমেন ছিঁ’ড়ে যাওয়ার জন্য এমনটি হয়। যৌ’ন মি’লন একটি আ’নন্দময় অ’ভিজ্ঞতা। কোন সমস্যা না থাকলে যৌ’ন মি’লনে ব্য’থা পাবার ঘটনা ঘটে না। প্রথম মি’লনের সময়েই একটু ব্য’থার অনুভূতি হবে। এটা বাদ দিলে সু’স্থ ও সাধারণ যৌ’ন মি’লনে ব্যথা বা ভ’য়ের কিছুই নেই। ঘরের যে সকল জিনিসে রয়েছে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রা’দুর্ভাব বেড়েই চলেছে। কোভিড-১৯ নামের নতুন এই করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে ইতিমধ্যে ৯০ হাজারের বেশি লোক আ’ক্রান্ত হয়েছেন।’ মা’রা গেছেন ৩ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষ। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হু’বেই প্রদেশের উ’হান শহর থেকে এই ভা’ইরাসটি ছড়ায়। আর এখন চীনের বাইরেও একের পর এক দেশে এই ভা’ইরাসের প্রাদু’র্ভাব দেখা দিচ্ছে। নিয়মিত হাত ধোয়া বা টিস্যুতে হাঁচি দেওয়া- ভাইরাসটিতে আ’ক্রান্ত হওয়ার ঝুঁ’কি কমাতে এ ধরনের কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আপনি নিতে পারেন। যা হোক, ভাইরাসটিকে বেশ কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত শক্ত পৃ’ষ্ঠের উপরে বেঁচে থাকতে দেখা গেছে। যার মানে হচ্ছে, প্রতিদিনের ব্যবহার্য জিনিসপত্র এবং শক্ত পৃষ্ঠগুলো ভা’ইরাসটির আবাসস্থল হতে পারে।’ আপনার বাসা-বাড়ি যতটা সম্ভব কম ঝু’কিঁপূর্ণ নিশ্চিতে সহায়তা করতে যুক্তরাষ্ট্রের রো’গ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি), আপনার ঘরের ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ স্থানের একটি তালিকা তৈরি করেছে। ঘরের এসব স্থানগুলো জী’বাণুমুক্ত রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।’ করোনাভাইরাস বসবাস করতে পারে ঘরের এমন স্থানগুলো হলো- *কি’চেন কাউন্টার টপস *টেবিল *দরজার হাতল *বাথরুমের ফি’ক্সচার *টয়লেট *ফো’ন *কি’বোর্ড *ট্যা’বলেট পিসি *টেবিলের আশপাশে *যেকোনো পৃষ্ঠ- যেখানে র’ক্ত, ম’ল বা শরীরের ত’রল লেগে থাকতে পারে।’ উচ্চ ঝুঁ’কির এসব স্থান পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে: সিডিসির পক্ষ থেকে, ঘরের জিনিসপত্র নিয়মিতভাবে জী’বাণুনাশক স্প্রে’ দিয়ে পরিষ্কার করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া স্প্রে ব্যবহারের সময় গ্লা’ভস পরার পাশাপাশি ঘরে বায়ু চলাচল নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। সিডিসি’র মতে, নিজের জিনিসপত্রগুলো পরিবারের অন্য সদস্যের সঙ্গে শেয়ার না করা বু’দ্ধিমানের কাজ হবে।’ সিডিসি বলছে, ‘আপনার বাড়ির অন্যান্য লোক বা পো’ষা প্রাণীর সাথে আপনার বা’সন, চ’শমা, কাপ, খাবারের পাত্র, তোয়ালে বা বি’ছানা ভাগ করা উচিত নয়।এসব জিনিসপত্র ব্যবহার করার পর সেগুলো সাবান এবং পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলার পরামর্শ সিডিসি