জে’নে নিন সুন্নতি খাবার ‘খেজুর’ খাওয়ার সুফল

কেবল স্বাদে নয়, নানা রকম পুষ্টিগুণে ভরপুর এ খেজুর। ভিটামিন ও মিনারেলস হাড়কে শ’ক্তিশালী ক’রতে সহায়তা করে খেজুর। খেজুরের আরও অনেক গুণ রয়েছে। চলুন জে’নে নেয়া যাক-

কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়: খেজুরে প্রচুর ফাইবার থাকে। এটি আপনার হজ’মশ’ক্তি উন্নত করে। হজ’ম ভালো হলে কোষ্ঠকাঠিন্য হয় না। প্রতিদিন খেজুর খেলে হজ’মজনিত স’মস্যা থেকে মু’ক্তি পাবেন। যেমন, পাকস্থলীর ব্য’থা এবং গ্যাসের স’মস্যা থেকে মু’ক্তি দিতে পারে খেজুর।

হৃদযন্ত্র ভালো রাখে: খেজুরে আছে ফাইবার। যা আপনার হৃদযন্ত্রকে শ’ক্তিশালী করে এবং ভালো রাখে। আরও আছে পটাসিয়াম, যা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁ’কি অনেকাংশে এড়াতে পারে। তাই হার্টকে সু’স্থ রাখতে প্রতিদিন খেজুর খান।

বাতের ব্য’থা দূ’র করে: খেজুরে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। ম্যাগনেসিয়ামে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি রয়েছে যা হৃদরো’গ (র’ক্ত জমাট বাঁ’ধা), নিয়োপ্লাজিয়া এবং অ্যালজাইমা’র্স জাতীয় রো’গ রুখতে সাহায্য করে।

ব্লাডপ্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে: খেজুরে থাকা ম্যাগনেসিয়াম র’ক্তচা’প নি’য়ন্ত্রণেও কাজ করে। খেজুরে উপস্থিত পটাসিয়াম অতিরি’ক্ত র’ক্তচা’প কমাতে সাহায্য করে। অনেকে হাই ব্লাড প্রেসারে কী খাবেন বুঝে উঠতে পারেন না। এই স’মস্যায় নির্ভাবনায় খেজুর খান।

হার্ট অ্যাটাক রো’ধ করে: আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিকাল নিউট্রিশনের একটি গবেষণা অনুসারে, কোনো ব্য’ক্তি একদিনে ১০০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণ করলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁ’কি ৯% হ্রাস পায়। তাই হদরো’গ থেকে দূ’রে থাকতে খেজুর খান রোজ।

র’ক্তস্বল্পতা দূ’র করে: লোহিত র’ক্তকণিকা এবং আয়রনের ঘাটতির কারণে অনেকে র’ক্তাল্পতায় আক্রা’ন্ত হন। র’ক্তাল্পতা মানে শ’রীরে র’ক্তের অভাব। খেজুরে প্রচুর আয়রন পাওয়া যায়। তাই র’ক্তাল্পতার চিকিৎ’সার জন্য এটি অব্য’র্থ। নিয়মিত খেজুর খেলে শ’রীরে আয়রনের ঘাটতি কমে।

স্নায়ু সতেজ রাখে: খেজুরে স্নায়ুতন্ত্র সু’স্থ রাখার সমস্ত ভিটামিন আছে। এই ভিটামিনগু’লি স্নায়ুতন্ত্রকে আরও উন্নত করে। শুধু তাই নয়, এতে উপস্থিত পটাসিয়াম মস্তিষ্ককে ধা’রালো রাখে। স্নায়ুতন্ত্রের উন্নতির জন্য রোজ খেজুর খাওয়া উচিত।

গর্ভবতীদের জন্য উপকারী: আয়রনে সমৃদ্ধ খেজুর মা এবং বাচ্চা উভয়ের জন্য খুব দরকারি। খেজুরে উপস্থিত পুষ্টিকর উপাদান জরায়ুর পেশি শ’ক্তিশালী ক’রতেও কাজ করে। মায়ের দুধে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। এটি সন্তান প্র’সবের পরে র’ক্তক্ষরণের সময় শ’রীরে র’ক্তর অভাব মেটায়।

দাঁত মজবুত করে: খেজুরে পাওয়া যায় ফ্লুরিন। এটি এমন একটি রাসায়নিক যা দাঁত থেকে প্লাক সরিয়ে গর্ত হওয়া ব’ন্ধ করে। শুধু এটিই নয়, দাঁতের এনামেল আরও শ’ক্তিশালী করে। ঝকঝকে করে তোলে দাঁত।

ত্বক ও চুল ভালো রাখে: ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খেজুর ত্বককে স্থিতিস্থাপক রাখে এবং এটিকে নরম করে তোলে। খেজুরে উপস্থিত ভিটামিন বি ৫ স্ট্রেচের চিহ্ন দূ’র ক’রতেও কা’র্যকরী। শুধু তাই নয়, এটি চুলকে স্বা’স্থ্যকরও রাখে। ভিটামিন বি ৫- এর অভাবের কারণে চুল দু’র্বল হয়ে ডগা ফেটে যেতে শুরু করে।