এইচএসসি পরীক্ষা ও স্কুল খোলা নিয়ে বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত হলো

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক জানিয়েছেন, মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ১৫ মার্চ পর্যন্ত ক্লাস, সংসদ টিভির ক্লাস ও অনলাইনের ক্লাসকে প্রাধান্য দেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে ১১টি শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানদের বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি জানান, স্কুল খোলার মতো অবস্থা হলে সামনাসামনি মূল্যায়নের মাধ্যমে অন্য ক্লাসে উত্তীর্ণ করা হবে। এক্ষেত্রে অটো প্রমোশন বলতে কিছু নেই। শিক্ষার্থীদের সব শিক্ষকই চিনেন। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মেধা মূল্যায়ন করেই অন্য ক্লাসে উত্তীর্ণ করবেন।

অষ্টম থেকে নবমে অটো প্রমোশন হবে না, যে কোনো পদ্ধতিতেই মূল্যায়ন হবে। এছাড়া পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণীর বিষয়ে মাউশি থেকে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

বৈঠকে এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির চেয়ারম্যান ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জিয়াউল হক বলেন, এখনই পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা সম্ভব না।

বৈঠক সম্পর্কে তিনি বলেন, এটা আমাদের নর্মাল মিটিং ছিলো। কে বলেছে এ সভায় পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করবো? আমরা এখানে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করবো না। এ ধরনের সংবাদে আমরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়ি। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীরাও বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়ে যায়। আমরা সিদ্ধান্ত নিলে সবার আগেই মিডিয়াকেই জানাই।

এ সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, আপনারা সঠিকভাবে আপনাদের দায়িত্ব পালন করুন। এখতিয়ারের বাইরের প্রশ্ন করলে আমরা বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়ি। পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা আমাদের এখতিয়ার না।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ উপপরিদর্শক রবিউল আলম বলেন, চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা কীভাবে আয়োজন করা যায় সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। এখানে সব বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

এইচএসসি পরীক্ষা ও স্কুল খোলাসহ শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা। এদিন দুপুর সোয়া ২টায় ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক।