মেয়েদের প্রথম পি*রিয়ড শুরু এবং যৌ*বন ও জীবনে সুস্থ সাচ্ছন্দ্যতা নিয়ে যা বললেন আমেরিকার গবেষকেরা

একজন মেয়ের তার প্রথম পিরিয়ডটা সারা জীবনের জন্য মনে থাকে। এটা তাদের বয়ঃসন্ধির সময়। মেয়েদের পিরিয়ডকে যদি ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায় তাহলে তাদের স্বাস্থ্য স’ম্পর্কে অনেক তথ্যই পাওয়া যাবে। প্রত্যেক মেয়েরই আলাদা আলাদা সমস্যা আছে।

আপনি কি জানেন ৫০০০০ মেয়ের পরিসংখ্যান সংক্রান্ত বিশ্লেষণ করে প্রথমবার পিরিয়ডের সময় তাদের বয়স কত ছিল তা জানা গেছে। অ’বাক হওয়ার মতই, কিন্তু এটা সত্যিই যে প্রথমবার পিরিয়ডের সময় তাদের বয়স কত ছিল জানা গেলে তা থেকে অনেক তথ্যই বার করা সম্ভব। তাই আম’রা এখানে এরকম কিছু আকর্ষণপূর্ণ জিনিস নিয়ে এলাম যেগুলো মেয়েদের বয়ঃসন্ধির সময় তাদের বয়স জানা গেলে বার করা সম্ভব।

এটি তার সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে এবং অনুমান অনুসারে তার জীবনের আয়ু নির্ধারণ করতে পারে। আপনি যদি ভাবছেন ‘কিভাবে?’ তারপর খুঁজে পেতে পড়া রাখা।

বেশি আগে হওয়া ভাল নয়।

একজন মেয়ের প্রথম পিরিয়ড এবং তার আয়ু হাতে হাত রেখে চলে। এটা বলা যেতে পারে যে এর প্রভাব পড়ে তবে উলটো দিক থেকে। এটা বলা হয় যে যেসব মেয়েদের প্রথম পিরিয়ড তাদের টিনএজ বয়সের যত শেষের দিকে হয়েছে তাদের ৯০ বছরেরও বেশি বাঁ’চার সম্ভাবনা প্রবল। অস্ট্রলিয়ার কুইন্সল্যাণ্ড ইউনিভার্সিটির গীতা মিশ্রা বলছেন, প্রথম পিরিয়ড যত পরের দিকে হবে সেই মহিলার আয়ু তত বাড়বে।

১২ বছর পরে।

গীতা এবং তার রিসার্চ টিমের অন্যান্য সদস্যরা এটা অবিষ্কার করেছে যে একজন মেয়ের সবথেকে কম যে বয়সটায় পিরিয়ড হতে পারে সেটা হল ১২।

এটাই সব নয়।

১২ বছর বয়সের পরে যে সব মেয়ের প্রথম পিরিয়ড হয়েছে তাদের অন্যান্য মেয়েদের থেকে দীর্ঘদিন বাঁ’চার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

গড় হচ্ছে ১৩

এটা আবিষ্কার করা হয়েছে মেয়েদের প্রথম মাসিকের সময় তাদের গড় বয়স হয় ১৩ আর শেষ মাসিকের সময় ৫০। তাও ১৪% মেয়ের ১২ বছরের আগেই প্রথম পিরিয়ড হয়ে যায় এবং শেষটা ৪৫ বছরে।

গীতার বিশ্বা’স

গীতা বলেছে, “যদি আমাদের আবিষ্কার গু’লিকে চিকিৎসা বিদ্যার সাথে মেলানো হয় তাহলে সেইসব মহিলাদের আগে থেকে সাবধান করা যাবে যারা ৩৫ বছরেও নিঃসন্তান এবং যাদের প্রথম পিরিয়ড ১১ বছর বা তারও আগে হয়েছে তাদের প্রিম্যাচিওর মেনোপজের (পিরিয়ড বন্ধ) সম্ভাবনা প্রবল”।

দীর্ঘ জীবনের প্রত্যাশা

মেনোপজের (পিরিয়ড বন্ধ) ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান হচ্ছে ৫০ বছর। যেসব মেয়ের মেনোপজ ৫০ বছর বা তারও পরে হয়েছে তাদের বাঁ’চার সম্ভাবনা ৯০ বছরেরও বেশি।

৩১% বেশি সম্ভাবনা

যে সব মেয়ের পিরিয়ড ১২ বছর বা তারও আগে হয়েছে তাদের মেনোপজ (পিরিয়ড বন্ধ) সাধারণত ৪০ থাকে ৪৪ বছরের মধ্যে শুরু হয়।

মেনোপজের বয়স।

সারা বিশ্বে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে দেখা গেছে যেসব মহিলার জীবনে মেনোপজ আগে হয় তারা কম বাঁচে আর যাদের পরে হয় তারা বেশি বাঁচে।

৫০ এর পরে।

৫০ বছরের আগেই যাদের মেনোপজ হয়ে গেছে তাদের হৃদরোগের সম্ভাবনা অনেক বেশি। কিন্তু আবার যাদের মেনোপজের সময় বয়স ৫০ থেকে ৫৪ এর মধ্যে তাদের এই সম্ভাবনা অনেক কম।

বয়স এবং মাসিকের মধ্যে স’ম্পর্কের কারণ

রিসার্চার বয়স এবং মেনোপজের মধ্যে যোগসূত্র খুঁজে বার করতে সক্ষম হয়েছে, কিন্তু তারা এখনও অব্যাপারে দিশাহারা যে সেটা মেয়েদের আয়ুকে কিভাবে প্রভাবিত করছে।

পরিচালন যোগ্য

মহিলারা অ’তি শীঘ্র মেনোপজের হাত থেকে বাঁচতে পারে এবং তা করা সম্ভব হলে অনেক রোগের হাত থেকেও বাঁ’চা যাবে।

সিগারেট পিরিয়ডকে প্রভাবিত করে।

এটাও বলা যায় যে যেসব মেয়ে সিগারেট সেবন করে তাদের মেনোপজ তাড়াতাড়ি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

সিগারেট স্বাস্থ্যর পক্ষে খুব ক্ষতিকারক

এটা বলার প্রয়োজন নেই যে সিগারেট স্বাস্থ্যর ক্ষতি করে। এটা যে শরীরের হৃদযন্ত্রের ব্যাপক ক্ষতি করে তাই নয় হরমোন সংক্রান্ত নানা জটিলতাও তৈরি করে।

এই হল আপনার গাইড।

আপনি আপনার প্রথম পিরিয়ড এবং মেনোপজের সময়ে বয়স দেখে নিজের আয়ু ভবিষৎবাণী করতে পারবেন।