যে ‘উম্মত’ একবার মোহাম্মদ (সা.) কে স্বপ্নে দেখবে তাকে জাহা’ন্নামের আগু’ন স্প’র্শ করবে না

আল্লাহ মহান। তাঁর দয়ার কারনেই এই সুন্দর পৃথিবীতে আমাদের প্রিয় নবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) এর আবি’র্ভাব ঘটেছিল। মুহাম্মাদ (সা) ঘৃ’ণাভ’রে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন আরাম ও সুখের জীবন। তিনি যেমন সাহ’সী ও অকুতোভ’য় ছিলেন, তেমনি ছিলেন কোমল মনের মানুষ। তাঁর ব্যাক্তিত্বের প্রভাবে ইসলামের বিস্তার হয়েছে।

হাদিসে আছে নবিজী (সা.) নিজেই বলেছেন, ‘আমার যে উম্মত ঈমানের চোখে একবার আমাকে দেখবে তাকে জা’হান্নামের আ’গুন স্পর্শ করবে না।’
রাসুল (সা.) ছিলেন বিশ্ব মানবতার শ্রেষ্ঠতম শিক্ষক। তিনি বিভিন্ন সময় সাহাবাদের বিভিন্ন বিষয়ে উপদেশ দিয়েছেন।

এবার আসুন জেনে নিই, রাসুল (সা.) এর বিশেষ কয়েকটি উপদেশ…
১. ‘আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করবে না, যদিও তোমাকে হ’ত্যা করা হয় অথবা আ’গুনে জ্বা’লিয়ে দেওয়া হয়।’ শিরক অন্তত জ’ঘন্য অ’পরা’ধ।

২. ‘পিতা-মাতার অবা’ধ্য হবে না, যদি মাতা-পিতা তোমাকে তোমার পরিবার-পরিজন বা ধনসম্পদ ছেড়ে দেওয়ার হুকুমও দেয়।’ পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, তোমার রব ফায়সালা করে (আদেশ) দিয়েছেন, তিনি ছাড়া অন্য কারোর ইবাদত না করতে ও মাতা-পিতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করতে।

৩. ‘ইচ্ছাকৃ’তভাবে কখনো কোনো ফরজ নামাজ ছেড়ে দিয়ো না। কারণ যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃ’তভাবে ফরজ নামাজ পরিত্যা’গ করে, আল্লাহ তাআলা তার থেকে দায়িত্ব উঠিয়ে নেন।