জে’নে নিন শি’শু জ’ন্মের পরই উ’চ্চস্বরে কেঁ’দে ওঠে কেন!

কা’ন্নার মাধ্য দিয়ে ‘বজাতক তার পৃথিবীতে আ’গমনের বা’র্তা দেয়। তার আ’গমনে সবাই খুশি থাকলেও শি’শুটি একা তখন কাঁ’দে। জ’ন্মের পরপরই সে উ’চ্চস্বরে কাঁ’দতে শুরু করে।

খেয়াল করে দেখবেন, জ’ন্মের পরে শি’শু না কাঁ’দলে তার পেছনে থা’প্পড় দিয়ে তারপর কাঁদানো হয়। এগুলো খুব পরিচিত দৃ’শ্য। কিন্তু কখনো কি খে’য়াল ক’রেছেন, শি’শু জ’ন্মের পরই কেঁদে ওঠে কেন? আবার না কাঁদলে তাকে কাঁ’দানোর জন্য এত তা’ড়াহুড়ো কেন? শি’শু জ’ন্মের পর কেন কেঁ’দে ও’ঠে এবং তা কতটা জ’রুরি তা প্র’কাশ করেছে বো’ল্ডস্কাই।

যে কারণে শি’শুর জ’ন্মের পরই কান্না জ’রুরি: শি’শু যখন পৃথিবীতে আসে তখন সে মায়ের গ’র্ভ থেকে সে বি’চ্ছিন্ন হয়ে যায়। শি’শু যদি জ’ন্মের পরপরই চিৎ’কার করে কেঁ’দে ও’ঠে তবে বোঝা যায় তার হার্ট ও ফু’সফুস সঠিকভাবে কাজ করছে। শি’শুর কা’ন্না দেখে তার স্বা’স্থ্য স’ম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। শি’শু উ’চ্চস্বরে কাঁ’দলে তার মানে হলো সে পু’রোপুরি সু’স্থ। তবে শি’শুটি যদি খুব ধীর গলায় কান্নাকাটি করে, তাহলে কিছু স্বা’স্থ্য স’মস্যা হতে পারে।

কা’ন্নার কারণ: জ’ন্মের আগ পর্য’ন্ত শি’শু মায়ের শ’রীরের স’ঙ্গে সংযু’ক্ত আ’ম্বিলিক্যাল ক’র্ড বা না’ভিরজ্জুর মধ্য দিয়ে শ্বা’স নেয়। জ’ন্মের কয়েক সেকে’ন্ড পরে শি’শু নিজে থেকেই শ্বা’স নেয়া শুরু করে। শি’শু যখন গ’র্ভের বাইরে আসে তখন হৃ’দপিণ্ডের শ্বা’স-প্র’শ্বা’সের পথ শ’রীরের বিভিন্ন ফ্লু’ইড নিঃস’রণের কারণে আ’টকে যায়। আর তখনই শি’শু চি’ৎকার করে কাঁ’দতে শুরু করে। এ কান্নার ফলেই প’রিষ্কার হয় তার শ্বা’স-প্র’শ্বা’সের পথ। এরপর শি’শু স্বা’ভাবিকভাবে শ্বা’স নিতে পারে।

ক’তক্ষণ কাঁ’দা উচিত? শি’শুর কান্না অনেকের কাছে উ’দ্বেগের মনে হলেও আ’সলে স’বক্ষেত্রে তা নয়। বরং দিনের মধ্যে একটি নির্দি’ষ্ট সময় কাঁ’দা শি’শুর জন্য স্বা’ভাবিক। অনেকগুলো গ’বেষণা থেকে এ তথ্য মি’লেছে যে, স্বা’স্থ্যকর শি’শুর একদিনে বা ২৪ ঘণ্টায় কমপ’ক্ষে ২-৩ ঘণ্টা কাঁ’দা উচিত। তবে যদি শি’শু চার ঘ’ণ্টারও বেশি সময় ধ’রে কা’ন্নাকাটি করে, তখন চি’কিৎসকের প’রামর্শ নেয়া উ’চিত। শি’শু যত বড় হবে তত তার কা’ন্নার পরিমাণও কমতে শু’রু করবে।