জীবনে সুখী হতে হলে যে তিন শ্রেণির মানুষকে কখনোই বিয়ে করবেন না!

এক: অ’তিমাত্রার ক্যারিয়ারিস্ট ছে’লেমে’য়েকে অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন। ক্যারিয়ার বলতে যারা শুধু ডিগ্রি অর্জনকেই বোঝায়, তাদের কাছে স’ম্পর্ক, পরিবার, সন্তান, আত্মীয়স্বজন, সমাজ, রাষ্ট্র – এগুলো কোনো ইস্যুই না।

এই ধরনের ফ্রিক মানুষগুলো ফ্যামিলি লাইফে ভ’য়ংকর হয়। এই ধরনের পাত্রপাত্রীদের অর্জন যতই এট্রাকটিভ হোক না কেন, এদের ক্যারিয়ার দেখে বিয়ে করলে আপনি পস্তাতে বাধ্য। সত্যিকার অর্থে ক্যারিয়ার একটি হলিস্টিক ইস্যু।

এর পারিবারিক, সামাজিক, একাডেমিক, আধ্যাত্মিক, রাষ্ট্রীয় এ রকম অনেক ডায়মেনশন আছে। যাদের কাছে ক্যারিয়ারের ডায়মেনশন একটাই- একাডেমিক ডায়মেনশন, স্বামী-স্ত্রী’ হিসেবে এরা ভ’য়ংকর, সাবধান!

দুই: ফ্রি মিক্সারদের অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন, কারণ বহু পুরুষের/নারীদের সান্নিধ্যে এসে বহু পুরুষের/নারীর বহু গুণ তারা এক পুরুষের/নারীর (স্বামীর-স্ত্রী’র) মধ্যে খুঁজতে যায়! আর যখন তা খুঁজে না পায় তখন পাওয়া বিষয় বাদ দিয়ে না পাওয়া বিষয়গুলো ঘাঁটাঘাঁটি করেই স্বামীর-স্ত্রী’র লাইফকে হেল করে তোলে!!

বহু পুরুষের/নারীর সান্নিধ্যে থেকে এদের মধ্যে নৈতিকতাহীনতা ও নির্লজ্জতার সৃষ্টি হয়! ফলে এরা খুব সহ’জেই পর পুরুষের/পর নারীর সঙ্গে মিশে যেতে পারে!

পূর্ব স্বভাবের কারণে এরা পরবর্তীতে এক পুরুষের/নারীর (স্বামীর/স্ত্রী’র) সান্নিধ্যে সন্তুষ্ট থাকতে পারে না! তাই বিয়ের পর কর্মজীবনে প্রবেশ করলে এরা কর্মক্ষেত্রেও বহু ছে’লেবন্ধু/মে’য়েবন্ধু বানায়! বাইচান্স,

ওইসব ছে’লেবন্ধু/মে’য়েবন্ধুদের মধ্যে লিচু প্রজাতির মানুষ থাকে আর যখনই আপনার পার্টনারের সঙ্গে কোনো ব্যাপারে আপনার মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয় তাহলে, ওই সময় ওই লিচু বন্ধু এর ফায়দা তুলে নিতে পারে, আর আপনার স্ত্রী’-স্বামীর পূর্ণ সম’র্থনে গড়ে উঠতে পারে একটি পরকী’য়ার স’ম্পর্ক!!

কখনো কখনো আপনার সঙ্গে আপনার স্ত্রী’র-স্বামীর মনোমালিন্যেরও প্রয়োজন পড়বে না! জাস্ট একটু অ্যাডভেঞ্চার লাভের আশায় আপনার ফ্রি মিক্সার স্ত্রী’/স্বামীই আপনাকে বাদ দিয়ে অন্যের জন্য নিজের দুয়ার খুলে দিতে পারে! কারণ তার মধ্যে কোনো নৈতিকতা নেই! আছে শুধু নির্লজ্জতা!

আর একটুখানি নির্লজ্জতা অনেক বড় অ’প’রাধের দুয়ার খুলে দেয়! ফ্রি মিক্সার নারী-পুরুষ হচ্ছে এমন নৌকা, যার কোনো মাঝি (বিবেক) নেই। স্রোতের সঙ্গে ভাসতে ভাসতে এরা কখন কার ঘাটে গিয়ে ভিড়বে, বা কোন সমুদ্রে চলে যাবে, সেটা তারা নিজেরাও জানে না।

তিন: অ’তীতে অন্য কারো “কাছে আসার সাহসী গল্প” এর নায়ক-নায়িকা ছিল এমন কাউকে বিয়ে করবেন না। নিজের বা অন্যের কোন বয় বা গার্লফ্রেন্ডকেই বিয়ে করার দরকার নেই। ভালো ছে’লেমে’য়েরা সাধারণত বয় বা গার্লফ্রেন্ড হতে চায় না। আর সাধারণত বয় বা গার্লফ্রেন্ডরা ও ভালো ছে’লেমে’য়ে হয় না।

আপনি যখন এমন কাউকে বিয়ে করবেন যে অ’তীতে অন্য কারো “কাছে আসার সাহসী গল্প” এর নায়ক-নায়িকা ছিল, তখন আপনার জীবনে তিন ধরনের মধ্যে যে কোনো একধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।

১। আপনার সঙ্গী/সঙ্গিনী সাবেক ইয়েকে ভুলে যাবে আর আপনাকে ভালোবাসতে চেষ্টা করবে, তবে এ ভালোবাসায় আবেগ কম থাকবে এবং ভালোবাসার চেয়ে দায় মেটানোর চেষ্টাটা বেশি থাকবে এবং সারাজীবন আপনি আপনার অজান্তে বঞ্চিত হবেন সত্যিকারের ভালোবাসা থেকে।

২। হয় সে তার আগের প্রে’মিক/প্রে’মিকাকে সারাজীবন মনে রাখবে আর আপনাকে ভালোবাসার মি’থ্যে অ’ভিনয় করে রোবটের মতো সংসার করে যাবে।

৩। নয়তো বিয়ের পর আপনার সঙ্গে স’ম্পর্কের কোনো এক দুর্বল পয়েন্টে (স’ম্পর্কের গভীরতা সব সময় এক থাকে না,

কমবেশি হয়, হোক সেটা মায়ের ভালোবাসা, স’ম্পর্কের পারদ ওঠানামা করবেই) পুরনো ইয়ের সঙ্গে কোনো একসময় যোগাযোগ হয়ে যাবে আর নতুন একটি পর’কী’য়া স্টোরির সূচনা হবে এবং সে তখন গাছের গোড়ারটাও খাবে আবার আগারটাও খাবে (এটাই নতুন জেনারেশনের মধ্যে হট টপিক) তাই দেখু’ন, শুনুন, বুঝুন, তারপর লাফ দিন।