মাদ্রাসায় না পড়েও পুরো কোরআন হাতে লিখেছেন বরিশালের হু’মায়ুন

আল্লাহ তা’য়ালা মানুষের হেদায়েতের জন্য হ’জরত জিবরাঈল (আ.)-এর মাধ্যমে শেষ নবী হ’জরত মুহাম্ম’দ (সা.)-এর ওপর পর্যায়ক্রমে ২৩ বছর ধরে নাজিল করেন পবিত্র আল কোরআন। মহান রাব্বুল আলামিন কোরআনের বিধি-বিধান পালন করা প্রত্যেক মু’সলমানের ওপর ফরজ করেছেন।

আল কোরআন একটি নিখুঁত, নির্ভুল ও পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। এটা বিশ্ব মানবতার মুক্তির এক দিশারী, যা ৬১০ খ্রিস্টাব্দের ২৭ রমজান কদরের রজনীতে হেরা পর্বতের গুহায় নাযিল হওয়ার পর এ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন বর্ণমালার লক্ষাধিক কোরআন শরিফের সন্ধান পাওয়া গেছে।

তবে এবার এমন একটি কোরআন শরিফের পাণ্ডুলিপির সন্ধান পাওয়া গেছে, যার পুরোটাই মানুষের হাতে লেখা। সেই কোরআন শরিফখানা লিখেছেন বাংলাদেশি এক তরুণ।

মাদ্রাসায় না পড়েও পুরো কোরআন হাতে লিখেছেন বরিশালের হু’মায়ুন কবির সুমন। কোরআন শরিফটি লিখতে তার সময় লেগেছে প্রায় তিন বছর। হু’মায়ুন কবির এই কোরআন শরিফ লেখা শুরু করেন ২০০৭ সালে। শেষ হয় ২০১০ সালে। মাদ্রাসা পড়া হয়নি হু’মায়ুনের। তবে ১৯৯৯ সালে তার গ্রামের একটি স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন তিনি। সম্পূর্ণ নিজ ইচ্ছায় ও উদ্যোগে আরবি লেখা শিখেছেন বরিশালের এই তরুণ।

হু’মায়ুনের হাতে লেখা কোরআন শরিফে চ’মৎকার ক্যালিওগ্রাফিও ব্যবহার করেছেন। হু’মায়ুনের ইচ্ছা রয়েছে, ভবিষ্যতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাতের লেখা কোরআনে কারিম লিখে বিশ্ব রেকর্ড করার।

হু’মায়ুন ঢাকার গাউছিয়া মা’র্কে’টের একটি শোরুমের সহকারী ম্যানেজার। তার বাড়ি বরিশাল জে’লার বাকেরগঞ্জ উপজে’লার বারড়িয়া গ্রামে। তার বাবার নাম রজব আলী শিকদার।