“ওরা আমার গ’র্ভে কা’ফের জন্ম দিতে চায়”- সেনা ক্যা’ম্প থেকে মু’সলিম বোনের কলিজা ছেড়া আ’র্তনাদ

সার্বিয়ার সেনা ক্যাম্পে ধ’র্ষিতা মুসলিম বোন সামিরা তার বড় আপুর কাছে চিঠিতে লিখেছিল, আপু আমি আর পারছিনা।

ওরা আমার গর্ভে কাফের সন্তান জন্ম দিতে চায়,কিন্তু আমি কোন খ্রিষ্টান সন্তান ভুমিষ্ঠ হতে দিব না! প্লিজ আপু আমার জন্য গ’র্ভপাত ন’ষ্টের ঔ’ষধ পাঠাও! সামিরার ওই দিনের কলিজা ছে’ড়া আ’র্তনাদ শুনেও আমাদের

বিবেক জাগ্রত হয়নি ইরাকের আবু গারিব কা’রাগারে ব’ন্দি মুসলিম বোন ফাতিমা ও নুর যখন জানালা দিয়ে চি’ৎকার করে বলেছিল, হে মুজাহিদ ভাইয়েরা তোমরা কোথায়? ওদের প্রতি রাতের অ’ত্যাচার আর সহ্ত পারছিনা! দেখুন ভিডিও ওরা যে আমাদের ম’রতেও দিচ্ছে না! তোমরা আমাদের উ’দ্ধার করতে না পারলে হ’ত্যা করে যাও! তখনও

আমাদের বিবেক জাগ্রত হয়নি,,,!!! মুসলিম বিশ্বের গৌরব কুরআনের হাফিজা এবং সারা দুনিয়ার একমাত্র নিউরো বিজ্ঞানী ড.আফিয়া সিদ্দিকাও মার্কিন কা’রাগারে রাতের পর রাত ধ’র্ষিত হয়ে তিলে তিলে শেষ হয়ে গেল! তখনও আমাদের বিবেক জাগ্রত হলো না আরাকান জ্ব’ললো, মুসলিমদের র’ক্তে নাফ নদী র’ক্তিম বর্ণ ধারন করল! তারপরও

আমাদের বিবেক জাগ্রত হলো না,,,,!!! আরেকজন হাজ্জাজ বিন ইউছুফের খুব বেশি প্রয়োজন, দেবলের রাজা দাহির কতৃর্ক মুসলিম যুবতী নাহিদার মাথার উড়না পদদলিত হওয়ার কথা শুনে হুং’কার দিয়ে উঠেছিল হাজ্জাজ! দাম্ভিক দাহিরের দাম্ভিকতার জবাব দিতে গিয়ে, সাথে সাথে মুহাম্মদ বিন কাসিম কে ভারত অ’ভিযানে প্রেরণ করে ছিলেন, চূর্ণ

বিচুর্ন করে দিয়েছিলেন দেবল রাজত্ব পৃথিবীর সর্বত্র আজ মুসলিমরা নি’র্যাতিত! রক্ষা করার কেউ নাই, কোথায় মুহাম্মদ বিন কাসেম?কোথায় তারিক বিন যিয়াদ? কোথায় সালাহ উদ্দিন আইউবী? ফি’লিস্তিনে ই’হুদিরা মুসলিমদের হ’ত্যা, ধ’র্ষন করছে, আমরা নিরব,,,!!! চীনা বৌদ্ধরা উইঘোর মুসলিমদের হ’ত্যা করছে, আমরা নিরব! কাশ্মীরে ভারতীয় হি’ন্দুরা

মুসলিমদের হ’ত্যা করছে…. আমরা নিরব! মিশরে সেকুলাররা মুসলিমদের হ’ত্যা করছে…… আমরা নিরব সিরিয়ায় ক্ষমতালোভী শিয়া বাশার আল আসাদের নির্দেশে সেনাবাহিনী মুসলিমদেরকে বি’দ্রোহী তকমা দিয়ে বো’ম্ব আর রাসায়নিক ক্যামিকেল গ্যাস মেরে নারী শিশু হ’ত্যা করছে….. আমরা নিরব,,,!!! আমাদের এই ঘুম কবে ভাঙবে??? ধিক্কার

মুসলমান তোমার প্রতি!! তুমি না ওমরের জাতি? তুমি না আলীর জাতি? তুমি না খালিদ সাইফুল্লাহর জাতি! এখনও সময় আছে জেগে উঠো! তোমার ঈমানে কি ঘুণ ধরেছে? মুসলমানদের কোন বিষয় বা দুর্দিন চললেই তুমি গা ভাসিয়ে এড়িয়ে চল! নিজেকে আধুনিক ভেবে অসাম্প্রদায়িক সাজার বৃথা চেষ্টা করা! সুযোগ এখনোও আছে, শহিদি তামান্না বুকে নিয়ে

এগিয়ে যাও সম্মুখপানে, তোম রুখবার সাধ্য কারো নাই, তোমার বিজয় সুনিশ্চিত ইনশাল্লাহ। না হয় প্রস্তুত থাকো!!! অসহায় মুসলিম নারী আর শিশুদের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে কেয়ামতের ময়দানে তোমাকে জান্নাতে যেতে হবে!!! ইয়া আল্লাহ আমাদের সবাইকে ইসলামি চেতনায় উদ্বুদ্ধ করুন……. আমীন।মা গো, কেমন আছিস, গুড্ডু বাবা আমার?

ওপারের বিষয়টা তো বাবা ভালোভাবে জানি না রে মা। তবে, জানতে চেষ্টা করছি। তুই কি দেখতে পারছিস যে তোকে ছাড়াই আমরা দু’টো দিন স্বাভাবিকভাবেই কাটিয়ে দিলাম? তুই কি শুনতে পারছিস তোকে নিয়ে আমরা কিসব বলছি? তুই কি বুঝতে পারছিস তোকে সবাই কতো ভালবাসে? তুই কি দেখছিস সবাই কি সীমাহীন মমতায় তোর জন্য দোয়া

করছে? তুই কি জানিস তোর বয়সের একটা মেয়ে, যাকে আমি চিনি না, আমাকে মেসেজ পাঠিয়েছে আমার মেয়ে হতে চেয়ে? শুধু তাই নয়, মমতাময়ী মেয়েটা আমাকে বাবা ডেকেছে। তুই কি দেখছিস তোর চাপা ভাইটা একদম নিশ্চুপ হয়ে গেছে? তুই কি দেখছিস তোর পাগলীnull মা টা কেমন করছে? তুই কি দেখছিস তোর বুড়া বুবুটা কেমন

করছে? তুই কি দেখছিস তোর নানা, নানু, ফুপি, চাচ্চু, খালা, মামা ও তোর ভাই বোনেরা কি রকম করছে? তুই কি দেখছিস, আম্মা, তোর বাবা, যাকে তুই সারা পৃথবীর সবচেয়ে ভালো বাবা বলতি, সে কেমন স্বাভাবিক আচরণ করছে? হ্যা রে, আমার কাওলা বাবা, আমি স্বাভাবিকই আছি এবং থাকবো। আমাকে যে থাকতেই হবে তোর জন্য দোয়া করার

জন্য এবং তোর হয়ে এই সুন্দর দেশটার জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু করার জন্য। তুই চলে গেলি আগে আগে এজন্য আমার তোর উপর কোনও রাগ নেই কারণ এতে তোর কোনও দোষ নেই। সব দোষ বাবার। বাবা তোকে ঠিক মতো বড় করতে পারিনি। যদি পারতাম তাহলে তো তুই এই পথ বেছে নিতি না। অক্ষম বাবাটাকে ক্ষমা করে দিস, মা। তোর মতো

মেয়ে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। যতদিন বেঁচে থাকবো প্রতিদিন মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করবো উনি যেনো তোর আ’ত্মহন’নের ও অন্যান্য অপরাধ ক্ষমা করে দিয়ে তোকে বেহেশতে স্থান দেন এবং তোর কবরের আজাব মাফ করেন। জানি না রে মা, ওপারে তোর সাথে দেখা হবে কি-না। যদি দেখা হয় তোকে কিছুই না বলে খুব শক্তভাবে অনেকক্ষণ

জড়িয়ে ধরে রাখবো যেটা তুই আমাকে ছোটবেলায় একটু পরপর করতি বিগ হাগ বলে। এদিকে যে আরেকটা ঝামেলায় পরে গেলাম রে, মা। তুই পরশু চলে গেলি। আর, আজ তোর ২৩তম জন্মদিন। কি করবো বল তো, মা? এমনিতেই করোনার জন্য এবার তেমনভাবে কিছু করা যেতো না। তাই ঠিক করেছি করোনা চলে গেলে এমন ব্যবস্থা করবো যেন

অনেকগুলো মেয়ে তোর জন্মদিন পালন করে। শুভ জন্মদিন, মা। তোকে তোর জন্মদিনে উইশ করছি: যে শান্তির জন্য তুই এতো তাড়াতাড়ি পৃথিবী ছেড়ে গেলি সে শান্তি যেন পরম করুণাময় তোকে দান করেন। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ট ক্ষমাশীল ও দয়ালু। তোর এই প্রস্থানের ব্যাপারে আমার অবস্থান খুবই স্পষ্ট গো, আম্মা: তোর থাকার জায়গার

পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু, আমার হৃদয়ে তুই ছিলি, আছিস এবং থাকবি যতদিন না এর স্পন্দন থেমে যাবে। আজ আর লিখছি না রে, মা। ভালো থাকিস। তোর গুড্ডু বাবা। (লেখকের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)