এইসব রোগের জন্য নামাজই সবচেয়ে বড় ঔষধ

ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নামাজ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে বার বার নামাজের তাগিদ পেয়েছেন। কুরআনে পাকে আল্লাহ তাআলা

বিভিন্ন জায়গায় সরাসরি ৮২ বার সালাত শব্দ উল্লেখ করে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

তাই প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজকে ঈমানের পর স্থান দিয়েছেন। নামাজের

গুরুত্ব ও ফায়েদা সম্পর্কে সাহাবায়ে কেরামের সামনে অসংখ্য হাদিন বর্ণনা করেছেন। তন্মধ্যে একটি হলো-

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম- (হে আল্লাহর রাসুল!) আল্লাহর কাছে

সবচেয়ে বেশি প্রিয় আমল কোনটি? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘নামাজ’। (বুখারি ও মুসলিম)

শুধু তাই নয়, কিছু কিছু রোগ আছে যার নামাজ ব্যতিত কোন ঔষধ বা প্রেসক্রিপশন নেই। নামাজ হার্ট এ্যাটাক, প্যারালাইসিস, ডায়াবেটিস, মেলিটাস ইত্যাদির বি’রুদ্ধে প্র’তিরোধ

সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হার্টের রোগীদের প্রতিদিন বাধ্যতামূলকভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা উচিত বলেও মনে করেন অনেক ডাক্তারগন।

অনেক ডাক্তার মনে করে করেন, নামাজ একটি উত্তম ইসলামী ব্যায়ামও বটে, যা মানুষকে সব সময় সতেজ রাখে, অলসতা এবং অবসাদগ্রস্ততাকে শরীরে বাড়তে দেয় না। অন্যসব

ধর্মের মধ্যে এমন সামগ্রিক ইবাদত আর নেই যা আদায়ের সময় মানুষের সকল অঙ্গ নড়াচড়া

ও শক্তিশালী হয়। নামাজীর জন্য এটা একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য যে, এটা একান্তই সামগ্রিক ব্যায়াম যার প্রভাব মানবের সকল অঙ্গগুলোতে পড়ে এবং সামগ্রিক মানব অঙ্গগুলোতে নড়াচড়া ও শক্তি সৃষ্টি হয় এবং স্বাস্থ্য অটুট থাকে।

তুরস্কের ডাক্তার হুলুক নূর বাকী নামাজের আ’ত্মিক দিকের ওপর অনেক গুরুত্ব দিয়েছেন,

কিন্তু তিনিও এর দৈহিক উপকারিতার দিকে দৃষ্টি দেননি। এভাবে তিনি লিখেছেন- ‘আজ বস্তুবাদীরাও স্বীকার করে যে, জোড়ার ব্য’থা থেকে মুক্তির জন্য আজ নামাজ ব্যতিত আর কোনো ব্যবস্থাপত্র নেই।’

এর ধারাবাহিকতায় ডাক্তার হাসান গজনবীর এ বাক্যগুলো চিন্তার খোরাক জোগায়। তিনি লেখেন :

“নামাজ আমাদের পাপ থেকে রক্ষা করা এবং আধ্যাত্মিকতার প্রার্থনাগুলির উচ্চতায় উন্নীত করার পাশাপাশি আমাদের শারীরিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করা , আমাদের শরীরকে

সচল রাখে, হজমে সহায়তা করে এবং নিয়মিত ভারসাম্য অনুশীলনের মাধ্যমে নাসকেস এবং

জয়েন্ট ডিয়েস থেকে আমাদের বাঁচায়। এগুলি রক্ত সঞ্চালন এবং কোলেস্টেরলের খারাপ প্রভাবকে সহায়তা করে।

“হা’র্ট অ্যাটা’ক, প্যারালাইস বি’রুদ্ধে প্র’তিরোধ’মূলক ব্যবস্থা হিসাবে অভিনয় করার জন্য প্রার্থনাগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডায়াবেটিস মেলিটাস ইত্যাদি।

হৃদয় রোগীদের চিকিত্সা বন্ধ রাখার অনুমতি পাওয়ার সাথে সাথে নিয়মিত পাঁচটি ফরজ নামাজ পড়া উচিত।”