খেজুর মানুষের শরীরের যেসব রোগ দূরে রাখে

খেজুর একটি সুস্বাদু মরু ফল। এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, খনিজ এবং ভিটামিন। প্রতিদিন সকালে ৩-৪ টি খেজুর খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়।

আসুন জেনে নেই খেজুরের বিশেষ উপকারিতা-

মস্তিষ্ক সচল রাখে : খেজুরের সব থেকে বড় গুণ হল খেজুর মস্তিষ্ককে প্রাণবন্ত রাখে। আমাদের ক্লান্ত শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ শক্তির জোগান দিতে সক্ষম এই খেজুর।

গ্লুকোজের অভাব দূর করে : শরীরে গ্লুকোজের অভাব খেজুর দ্রুত পূরণ করতে সাহায্য করে। বিশেষত রোজায় অনেকক্ষন খালি পেটে থাকা হয় বলে দেহের প্রচুর গ্লুকোজের দরকার হয়। সকল রোজাদারের তাই ইফতারিতে খেজুর খাওয়া প্রয়োজন।

কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে : তুলনামূলকভাবে যেসব খেজুর একটু শক্ত সেই খেজুর সারারাত পানিতে ভিজিয়ে সকালে খালি পেটে সেই পানি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য অনেকাংশে দূর হয়।

বদহজম দূরে রাখে : আমাদের মুখের লালাকে ভালোভাবে খাবারের সঙ্গে মিশতে সাহায্য করে খেজুর। ফলে আমাদের বদহজম অনেকাংশে দূর হয়।

খুসখুসে কাশি দূর করে : সাধারণত যাদের খুসখুসে কাশি হয় তারা ২০-২৫ গ্রাম খেজুর, ২ কাপ গরম জলে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে ওই খেজুর চটকে নিয়ে সরবতের মতো করে খেলে খুসখুসে কাশি থেকে ১৫ দিনের মধ্যে উপকার পাবেন।

ত্বককে টানটান করে : অনেক সময়ে বয়স বাড়ার ফলে মুখের চামড়া কুঁচকে যায়। খেজুরে ভিটামিন বি রয়েছে। যা ত্বকের পক্ষে অত্যন্ত উপকারি। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৪-৫টি খেজুর নিয়ম করে খান। দেখবেন আস্তে আস্তে দাগ মিলিয়ে যাবে।

গর্ভবতী মায়েদের জন্য খেজুর : ৭/৮ মাস সময় থেকে গর্ভবতী মায়েদের জন্য খেজুর একটি উৎকৃষ্ট খাদ্য। এসময় গর্ভবতী মায়েদের শরীরে অনেক দুর্বলতা কাজ করে। তখন খেজুর মায়েদের শরীরের এই দুর্বলতা কাটাতে অনেক সাহায্য করে এবং ডেলিভারীর পর মায়েদের অতিরিক্ত রক্তপাত বন্ধ করতে ও খেজুর সহায়ক ভূমিকা পালন করে এবং পরবর্তী সময়ে শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টির জন্য মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে খেজুর কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

হাড় শক্ত করে : খেজুরে উপস্থিত খনিজ এবং ভিটামিন হাড়কে এতটাই শক্তপোক্ত করে দেয় যে বয়স্কালে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে কমে যায়।

অ্যানিমিয়া রোগকে দূরে রাখে : খেজুর ফলটি আয়রণ সমৃদ্ধি তাই এটি অ্যানিমিয়ার মতো রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভুমিকা পালন করে। শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দিলেই মূলত এই ধরনের রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়।

অ্যালার্জির প্রকোপ কমায় : ২০০২ সালে প্রকাশিত এক গবেষণা পত্রে দাবি করা হয়েছিল খেজুরে উপস্থিত সালফার কম্পাউন্ড অ্যালার্জির মতো রোগ থেকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : ডায়াটারি ফাইবারে সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে নিয়মিত খেজুর খেলে শরীরে ‘এল ডি এল’ বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত পটাশিয়াম আরও সব হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমায়।

৭ ধরনের পুরুষকে নারীরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে

বর্তমান যুগের মেয়েরা কেমন পুরুষকে পছন্দ করে, কিংবা কোন ধরণের পুরুষের সান্নিধ্যে নারীরা আসতে বেশি পছন্দ করে জানেন কি? নানা মনের নারীদের নানা মত থাকলেও সাত ধরনের পুরুষের সান্নিধ্যে পেতে নারীরা মুখিয়ে থাকে। এক সমীক্ষায় দেখা যায় অধিকাংশ নারীরাই এই

সাত ধরনের পুরুষের সঙ্গ পেতে আগ্রহী।

১। বুদ্ধিদীপ্ত পুরুষ
বুদ্ধিদীপ্ত পুরুষের সান্নিধ্য যে কোনও মেয়েই পছন্দ করেন। এমন পুরুষ যাঁর সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলা যায়, অথবা ।যিনি সঙ্গীর কথা মন দিয়ে শোনেন। তাঁর সূক্ষ সেন্স অফ হিউমার মেয়েদের মুখেহাসি নিয়ে আসে। রাজনীতি যতই অসহ্য লাগুক না কেন, এমন পুরুষ যদি

আপনার সঙ্গে রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করেন, তা খইয়ামের শায়েরির মতো লাগে! ঘন্টার পর ঘন্টা এই নিয়ে আলোচনা করলেও একঘেয়ে লাগে না। যে কোনও সম্পর্ক দীর্ঘদিন সুন্দর রাখতে হলে উপর মহল খালি হলে চলবে না। মানেটা হল, পছন্দের নারীর সঙ্গে যদি ইন্টালেকচুয়াল কানেকশনটাই না তৈরি হয়, তাহলে কিসমত কানেকশনও স্থায়ী হবে না!

২। আত্মবিশ্বাসী পুরুষ
আত্মবিশ্বাসী পুরুষের সান্নিধ্য উপভোগ করেন মহিলারা। যে পুরুষ নিজের ব্যক্তিত্ব এবং কাজ সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসী নন তাঁদের সঙ্গে বেশিদিন কোনও সম্পর্কে থাকতে পছন্দ করেন না কোনও নারী। আচ্ছা বলুন তো, কোন মেয়ে এমন পুরুষ পছন্দ করবেন যিনি তাঁর পুরুষ বন্ধু বা কলিগদের সব সময়ে সন্দেহের চোখে দেখেন। আসলে এই সন্দেহ তখনই মাথায় বাসা বাঁধে যখন একজন পুরুষ তাঁর ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসী হন না।

৩। শিল্পী সত্ত্বাময় পুরুষ
যে পুরুষের মধ্যে শিল্পীসত্তা আছে, তিনি অনায়াসেই মহিলাদের পছন্দের হয়ে ওঠেন। আপনার পছন্দের পুরুষটি যদি আপনার জন্যে নিজে হাতে একটি ছবি এঁকে আপনাকে উপহার দেন, অথবা যেদিন আপনার মুড একেবারে তলানিতে সেদিন সুন্দর একটি গান গেয়ে আপনার মন মেজাজ ভালো করার চেষ্টা করেন, সেই পুরুষ প্রেফারেন্স পাবেন না? আলবাত্‍‌ পাবেন… কারণ তিনি তাঁর সঙ্গীর প্রতিটি মুহূর্তকে নিমেষেই ‘স্পেশাল’ করে তুলতে পারেন।

৪। অপরিচিত পুরুষ
ভিনদেশি তারা-দের প্রতি মেয়েদের টান একটু বেশিই হয়। এই কথা শুনে কেউ কেউ হয়তো প্রতিবাদ করতে পারেন, তবে একবার ভেবে দেখুন তো… একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক কথা বললাম কি? চেনা পরিচিতর গণ্ডির বাইরে এমন কোনও পুরুষ যদি সামনে আসেন, যাঁর কথা বলার ধরন, যাঁর চলাফেরা একটু আলাদা, তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হওয়াটা কি খুব অস্বাভাবিক! আরে বাবা অচেনা, অজানার প্রতি তো সেই সৃষ্টির সময় থেকেই আকর্ষণ প্রবল।

৫। দায়িত্ববান পুরুষ
দ্য এজ অফ শিভালরি ইজ নট ইয়েট ডেড… এমনটা বলে যদি কোনও পুরুষ আপনার জন্যে গাড়ির দরজা খুলে দেন অথবা রেস্তরাঁয় বসার সময়ে আপনার জন্যে চেয়ার রেডি করে দেন কিম্বা রাতে ডিনারের পর বাড়ি পর্যন্ত ড্রপ করে যান, তাহলে স্বভাবিকভাবেই মেয়েদের কাছে তিনি একটু বেশিই প্রাধান্য পাবেন…. না, এখানে নারীবাদী হয়ে ওঠার কোনও প্রয়োজনই নেই। এমন ব্যবহার কিন্তু দায়িত্ববান পুরুষেরই লক্ষণ।

৬। রোমান্টিক পুরুষ
রোম্যান্সের শেষ কথা ইনি। যেমন তেমন রোম্যান্স নয়, একেবারে সনাতনী রোম্যান্সে বিশ্বাসী ইনি। লেডি লাভকে ফুল, চকোলেট কিম্বা ক্যান্ডেল লাইট ডিনার উপহার দিতেই ইনি সব থেকে বেশি ভালোবাসেন।

এখানেই শেষ নয়… কাজের ফাঁকেও ইনি সময় বের করে ফোন করেন শুধু এইটুকু বলতে যে এত ব্যস্ততার মধ্যেও তাঁর লেডি লাভকে মিস করছেন। এঁর সামনে এলে তিনি নিমেষে পড়ে ফেলতে পারেন চোখের ভাষা। না, তা বলে গোয়েন্দা ভেবে বসবেন না। আসলে এই ধরনের পুরুষ তাঁদের ভালোবাসার মানুষটিকে জীবনে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দেন।

৭। বিন্দাস মেজাজের পুরুষ
বিন্দাস মেজাজের পুরুষদের প্রতি মেয়েদের আকর্ষণ প্রায়ই দেখা যায়। তার একটাই কারণ, এমন পুরুষের সঙ্গে থাকলে জীবনের দুশ্চিন্তা, অনিশ্চয়তা থেকে অনেক দূরে থাকা যাবে। সঙ্গীকে ভালো মেজাজে রাখার জন্যে তাঁরা অফিস ছুটি নিয়ে চলে আসেন আচমকাই।