জে’নে নিন ট্রেনের শেষ বগিতে “X” চিহ্ন থা’কার কা’রণ

ট্রেনের শেষ বগিতে “X” চিহ্ন আঁকা থাকে খেয়াল ক’রেছেন নিশ্চয়ই। কখনো কি জা’নার আগ্রহ জেগেছে, কেন আঁকা থাকে এই চিহ্ন? আজ আম’রা চেষ্টা করেছি সে রহ’স্যের উত্তর দেয়ার:

X চিহ্নটি ট্রেনের সব থেকে লাস্ট যে বগি বা কাম’রা তাতে আঁকা থাকে। এর কারণ হচ্ছে, ওই কাম’রাটি যে ওই ট্রেনের শেষ কাম’রা এটা বুঝাতেই এই X চিহ্ন আঁকা। দুর্ঘ’টনাবশত বা ইচ্ছাকৃত যদি ট্রেনের কোনো কাম’রা খু’লে যায়। তবে ট্রেন থেকে আ’লাদা হয়ে যাওয়া শেষের সেই কাম’রা কোনটি, তা কী’’ভাবে বুঝবে?

কারণ সবসময় মুখে মুখে গুনে হিসাব করা তো সম্ভব নয়, তাছাড়া সেটা অনেক সময় সাপেক্ষ। আর সেই কারণেই ট্রেনের শেষ কাম’রা বা বগিতে বড় করে একটা X আঁকা হয়। যাতে স্টেশনে যারা ফ্ল্যাগ দেখায় তারা সহ’জে বুঝতে পারে যে, ওই ট্রেন এর কোনো কাম’রা মাঝপথে বিচ্যুত হয়নি।

রাতে কী’’ভাবে ওই চিহ্ন বোঝা সম্ভব? এই স’মস্যার সমাধানে ট্রেনের শেষ কাম’রাতে একটি লাল বাল্ব জ্বলতে দেখা যায়। রাতের বেলাতেও যা নির্দে’শ করে দেয় যে এটাই শেষ কাম’রা, মাঝপথে ট্রেন থেকে কোনো কাম’রা বিচ্যুত হয়নি।

চিহ্ন হিসেবে X কে প্রাধান্য দেয়ার সঠিক কারণ: যদি কোনো ভেক্টর রাশির অ’ভিমুখ কাগজে’র তল থেকে নিচের দিকে থাকে (অর্থাৎ, আমাদের বিপরীত দিকে) তাহলে ওই ভেক্টরটিকে আম’রা ক্রস( X ) চিহ্ন দিয়ে প্র’কাশ করি। আর কাগজে’র তল থেকে উপরের দিকে (অর্থাৎ, আমাদের দিকে) ক্রিয়া করলে সেটা আম’রা ডট ( . ) চিহ্ন দিয়ে প্র’কাশ করি।

এই নিয়মটি বোঝার একটি সহ’জ কৌশল হচ্ছে, যখন কোনো তীর আমাদের থেকে দূ’রে ছোঁড়া হয় তখন তীরের পিছনটা একটা ক্রস চিহ্নের মত দেখায়। আর তীর যখন আমাদের দিকে আসে তখন তীরের অগ্রভাগ একটি বিন্দুর মতো দেখায়। উপরের নিয়মটি এটারই সমতুল্য।