৩ ধরণের পু’রু’ষকে বি’য়ে করলে সারা জী’বন ক’ষ্ট পেতে হয়

বিবাহিত জীবনে স্বামী-স্ত্রী, দুপ’ক্ষেরই সহযো’গিতা প্রয়োজন। তাই অনেক মেয়েই বিয়ের আগে ভাবে তার স্বামী কেমন হবে।

কোন ধরনের পুরুষ স্বা’মী হিসেবে ভালো হবে এবং কারা’ হবে মন্দ তা বুঝে ওঠা সত্যিই খুবই কঠিন। বিবাহের ক্ষেত্রে এই ৫ ধরণের পুরুষকে কখনোই বিয়ে করা উচিত নয়। এদের বিয়ে করলেই সাং’সারিক জীবনে নিত্য অশা’ন্তি লেগেই থাকবে। ঝামে’লা কখনোও পিছু ছাড়বে না।

ফলে সুখের জীবন হয়ে ওঠবে দুর্বি’ষহ। আসুন জেনে নেওয়া যাক, স্বামী হিসেবে বাজে এমন ৫ ধরনের পুরু’ষ সম্পর্কে।১. না’রীরা খারাপ পুরুষদের প্রতি বেশি

আকৃষ্ট হয়। এই বি’ষয়টির সাথে বিজ্ঞানও একমত। বহু গবেষণায় দেখা গেছে পৃথিবীর বেশিরভাগ নারীই খারাপ পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পরায় তাকে অনেক কষ্ট পেতে হয়েছে।

এই সব ছেলেদের একটি আলাদা গু’ণ থাকে, কেউ বা কথা বলার জাদুতে, আবার কেউ অতিরিক্ত যত্ন নিয়ে একটি মেয়ের মন খুব সহজেই জয় করে ফেলে যেটা করতে একটি ভদ্র ছেলের অনেক দিন সময় লেগে যায়। ফলে সহজেই নারীরা একটি খারাপ

ছেলের ওপর তীব্র আকর্ষণ অনুভব করে। অনেকেই আবার আশা করে থাকে যে হয়তো সে পরে ভালো হয়ে যাব’ে। কিন্তু এরূপ আশা নিয়ে কখনোই বিয়ে করা উচিত নয়। কারণ এরা কখনোই ভালো হবে না।কথাতেই আছে মানুষের স্বভাব কোনদিনই বদলায় না।

তেমনই এদের স্বভাবও কোনদিন বদলাবে না, উল্টে এর জন্য আপনাকেই সারা জীবন কষ্ট পেতে হবে।২. অতিরিক্ত আ’ত্মকেন্দ্রিক পুরুষদের সাথে বিবাহ করা একদমই ঠিক না।

এতে বিবাহিত জীবন সুখের হয় না। কারণ এরা সবস’ময়ই নিজের গু’নগান করতে থাকে, নিজের প্রশংসায় নিজেই পঞ্চমুখ হয়ে থাকে। নিজের রূপ-গু’ণ থেকে শুরু করে সবকিছুরই গু’ণগান সবসময় শুনতে থাকবেন এইধরনের পুরুষের মুখে।

এরা নিজেদের নিয়ে এতটাই ব্যস্ত থাকে যে নিজেরা ছাড়াও পৃথিবীতে আরো সকলে রয়েছে সেটা ভুলে যায়। এমন মানুষের সাথে বেশীক্ষণ কথা বলাও সম্ভব হয়ে ওঠে না। এমন পুরুষকে যদি বিয়ে করা হয় তাহলে হয়তো তারা কখনোই আপনার দিকে নজর দেবে না।যার ফলে বিবাহিত জীবনে কোনদিনই সুখ আসবে না।৩. অতিরিক্ত মা ঘেঁষা ছেলেরা মানুষ হিসেবে ভালো হলেও স্বামী হিসেবে মোটেই সুবিধার নয় যদি না তার

ন্যায় অন্যায় জ্ঞান প্রবল থাকে। কারণ মায়ের প্রতি শ্র’দ্ধা, মমতা প্রদর্শন করতে গিয়ে সে স্ত্রীর প্রতি কর্তব্য পালন করতে পারে না। অন্যায় ‘হতে দেখলেও মেনে নেয় মাথা নিচু করে। এদের সকল কাজেই তাদের মায়েরা যেনো জড়ি’য়ে থাকে। তাই এরা কখনোই স্ত্রীকে সা’পোর্ট করতে পারেনা। মা কোন অন্যায় করলেও সেটাকে মুখ বুজে মেনে নেয়, যেটা বৈবাহিক জীবনের পক্ষে একদমই ভালো নয়। তাই চেষ্টা করুন বিবাহের ক্ষেত্রে

এইরকম পুরুষকে এড়ি’য়ে যেতে। ৪. আমি অনেক কিছু জা’নি, আমি তোমা’র থেকে বেশি জানি এই ধরনের ভাব ধ’রা পুরুষদের থেকে একশ হাত দূরে থাকুন। কারণ এই ধরনের পুরুষেরা নিজেদের মতামতকেই বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। এরূপ পুরুষেরা নিজে’দের জ্ঞানী বলে মনে করে। এরা সব কাজেই নিজে’দের মতামত’কেই সর্বশ্রেষ্ঠ বলে মনে করে। কখনো স্ত্রীর মতামত নেয়ার প্রয়ো’জনও অনুভব করে না। এমন পুরু’ষেরা স্বামী