এ বছর হজে যেতে পারছেন না ১০ হাজার মুসল্লি

এ বছর পবিত্র হজের জন্য নিবন্ধনকারীদের মধ্যে ১০ হাজারেরও বেশি মুসল্লির বয়স ৬৫ বছর পেরিয়ে যাওয়ায় মক্কায় যেতে পারছেন না। বাদ পড়া হজযাত্রী প্রতিস্থাপনে নিবন্ধন শুরু হচ্ছে আগামী ১৬ মে, চলবে তিনদিন। এবার হজ যাত্রীদের পাসপোর্ট স্ক্যান করে অনলাইনে পূরণ করতে হবে তথ্য। তবে সৌদি আরব এখনও ওয়েব সাইট চালু না করায় সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।

এদিকে করোনায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর এ বছর থেকে হজ পালনের সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশের মুসল্লিরা। তবে সৌদি সরকারের চাহিদামতো সুযোগ পাচ্ছে মাত্র ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন। যারা ২০২০ সালের নিবন্ধিত এবং প্রাক-নিবন্ধনের সর্বশেষ ২৫ হাজার ৯২৪ পর্যন্ত এবছর হজের সুযোগ পাবে।

তবে এই ৫৭ হাজারের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার মুসল্লির বয়স পেরিয়ে গেছে ৬৫ বছর। শর্ত অনুযায়ী তারা এবার হজে যেতে পারবেন না। ফলে তাদের স্থলাভিষিক্তদের ও নিবন্ধিতদের মধ্যে যারা যাত্রা বাতিল করবেন তাদের নিবন্ধন শুরু হচ্ছে ১৬ মে থেকে, যা চলবে তিনদিন পর্যন্ত।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, নিবন্ধনের পর কেউ যদি হজে যেতে না পারেন, তাহলে শুধু বিমান ভাড়া এবং খাবার বাবদ গ্রহণ করা টাকা ফেরত পাবেন। তবে বিমানের টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর হজযাত্রা বাতিল করলে সেই টিকিটের টাকা ফেরত পাবেন। পাসপোর্টের মেয়াদ হজের দিন থেকে পরবর্তী ছয় মাস অর্থাৎ ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত থাকতে হবে।

হজযাত্রীর দাখিল করা পাসপোর্ট যাচাই করা হবে অনলাইনে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৮ জুলাই হজ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নির্বাহী কমিটির সভায় হজ প্যাকেজ চূড়ান্ত করা হয়। এবার সরকারিভাবে হজে যেতে প্যাকেজ-১ এ ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৪০ এবং প্যাকেজ-২ এ ৪ লাখ ৬২ হাজার ১৫০ টাকা খরচ ধরা হয়েছে।

আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে প্যাকেজে খরচ ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৬৩০ টাকা। বেসরকারিভাবে এজেন্সিগুলোর ‘সাধারণ প্যাকেজ’র মাধ্যমে হজ পালনে খরচ হবে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭৪৪ টাকা।