ছাত্রদলে সম্পাদকের পদ পেলেন অপহরণ মামলার আসামি

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে

কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ, সিনিয়র সহ-সভাপতি-রাশেদ ইকবাল খান, সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, এক নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আফসার মোহাম্মদ ইয়াহিয়া।

সদ্যঘোষিত জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফ মোহাম্মদ জুয়েলের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলাসহ একাধিক অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। এরপরও তাকে সাধারণ সম্পাদকের পদ দেওয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

জুয়েল একইসঙ্গে দুটি অপহরণ মামলার আসামি বলে জানা গেছে। নিউমার্কেট থানায় দায়ের করা একটি মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, ছাত্রদলের ঢাবির শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কবিরকে অপহরণ করেন তিনি। এ মামলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জুয়েলকে গ্রেপ্তার করেছিল। পরে চার মাস কারাভোগ করেন জুয়েল। মামলাটি এখনও বিচারাধীন।

২০১১ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মোশাররফ হোসেন হলে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মারামারিতে ছাত্রলীগের পলাশ-জিহান গ্রুপের হয়ে জুয়েল ভাড়াটে হিসেবে অংশ নেন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ-মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে আসেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অবশ্য তৎকালীন জাবি ছাত্রদলের সভাপতি এ ঘটনার সত্যতা দাবি করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, এক/এগারোর সময়ে ছাত্রদলের তৎকালীন সংস্কারপন্থী নেতা সাঈদ ইকবাল টিটুর অনুসারী হয়ে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের গেস্টরুম থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি নামিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জুয়েল সরাসরি অংশ নেন। এ ঘটনা সম্পর্কে তৎকালীন ছাত্রদলের দ্বায়িত্বশীল সব নেতাই অবগত রয়েছেন বলে জানা গেছে।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রায় ছয় মাস হলে থেকে ছাত্রলীগের তৎকালীন জুয়েল-মিঠু গ্রুপের হয়ে ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন