১৫ টাকার ফল খেলে আপনাকে মি’লনের আগে আর উ’ত্তেজক ট্যা’বলেট খেতে হবে না

মধু শুধুমাত্র একটি উপকারী খাদ্য নয়, পন্য ও ঔ’ষধ বটে। জ’ন্মের পর বা’চ্চা’দেরকে নানা দাদীরা মখে মধু দেয় নাই এমন লোক খুঁ’জে পাওয়া ক’ঠিন বা নেই বললেই চলে। আদিমকাল বা প্রা’চীনকাল থেকে মানুষ প্রাকৃতিক খাদ্যহিসেবে, মিষ্টি হিসেবে, এবং চি’কিৎসার উপাদান হিসাবে মধুর ব্যবহার করে আসছে।

আমাদের শ’রীরের সু’স্থতায় মধুর উপকারিতা অতুলনীয়।এবার আসুন জেনে নাওয়া যাক মধু কি’সাধারণভাবে বলতে গেলে মধু হচ্ছে একটি ত’রল মিষ্টি জাতীয় আঠালো প’দার্থ, যা সাধারণত মৌমাছিরা ফুল থেকে পু’ষ্পরস হিসেবে সংগ্রহ করে তাদের মৌ’চাকে জমা করে রাখে।

পরবর্তীতে জমাকৃত এই পুষ্পরস প্রাকৃতিক নিয়মেই মৌমাছি বিশেষ প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে পূ’র্ণাঙ্গ মধুতে রূপান্তর হয়ে যায় এবং কোষ বদ্ধ অবস্থায় মৌমাছিরা মৌচাকে সং’রক্ষণ করে।

বিশদ ভাবে ব্যাখ্যা করতে গেলে বলতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সং’স্থা এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার তথ্য মতে মধু হচ্ছে এমন একটি অগা’জানোশীল মিষ্টি জাতীয় পদার্থ যা সাধারানত মৌ’মাছিরা ফুলের নে’কটার অথবা জী’বন্ত গা’ছপা’লার নি’র্গত র’স থেকে

সংগ্রহ করে ম’ধুতে রূপান্তর করে এবং আরও সুনির্দিষ্ট কিছু উপাদান যোগ করে মৌ’চাকে সংরক্ষণ করে। এটাই মধু।

খাদ্য হিসাবে মধু

চীনকাল থেকেই মধু ঔ’ষধ এবং খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশেষ করে চা’ইনিজরা প্রতিদিন সকালে তারা দুধ ও মধু মিশিয়ে সেটা রুটি দিয়ে খেতো। নিয়মিত মধু খাওয়া চা’ইনিজদের একটি অভ্যাসে প’রিণত হয়েছিলো। সুধু চাইনিজরা না, আমাদের দেশেও কেউ কেউ হালকা গ’রম পানিতে ম’ধু দিয়ে অথবা চায়ের সাথে ম’ধু দিয়ে খায়।

প’রিসংখ্যান এর দিকে দেখলে দেখা যাবে যে, বিশ্বের প্রায় বেশিরভাগ দেশেই, বিশেষ করে এশিয়ান দেশ গুলোতে মধু খাওয়ার প্রচলণ অনেক বেশি। আপনি যদি সকাল বেলা এক চামচ ম’ধু খান তাহলে দিনের শুরুটাকে ম’ধুর মত মিষ্টি করে দিবে। শুধু তাই নয়, মধুর আছে অ’বিশ্বাস্য কিছু স্বা’স্থ্য উপকারিতা।

সুনতে খুব অ’বাক লাগলেও এটা সত্য যে, মধুতে প্রায় ৪৫টিও বেশি খাদ্য উপাদান থাকে। সাধারণত পু’ষ্টি উপাদান হিসাবে ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রু’ক্টোজ, ৫-১২ শতাংশ মন্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সু’ক্রোজ থাকে।

সুধু তাই নয় আরো থাকে ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ, ২২ শতাংশ অ্যামাইনো এ’সিড এবং ১১ ভাগ এ’নকা’ইম। এতে সাধারণত কোন চ’র্বি ও প্রো’টিন নেই। প্রতি ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ গ্রাম ক্যা’লরি।

যেসব ফুল থেকে মধুঃ

খাটি ম’ধুর কিছু বৈশিষ্ট্যঃমধুর অনেক কিছু বৈশিষ্ট্য আসে। তবে খাঁটি ম’ধুর কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য আসে তা হল-
১। খাঁ’টি মধুতে কখনো কোন ক’টু গ’ন্ধ থাকে না।

২। সব থেকে মজার কথা হল মানুষের স্বা’স্থ্যের জন্য ক্ষ’তিকা’রক কোনো বিষাক্ত উপাদান প্রা’কৃতিক গাছে থাকলেও তার কোন প্র’ভাব মধুতে থাকে না।

৩। মধু সংরক্ষণে কোনো প্রকার পৃ’জারভেটিভ জাতীয় উপাদান ব্যবহৃত হয় না। কারণ মধু নিজেই পৃ’জারভেটিভ গুণাগুণ সম্পন্ন পুষ্টিতে ভরপুর একটি খাদ্য।

৪। খাঁ’টি মধু উৎপাদন, নি’ষ্কাশন, সংরক্ষণ, প্র’ক্রিয়াজাত ও বোতলজাতকরণের সময় অন্য কোনো প্রকার পদার্থের সংমিশ্রণ প্রয়োজন হয় না।

৫। আপনি খাঁ’টি মধু পরীক্ষা করতে চাইলে একটা কাজ করতে পারেন।আপনি খাটি মধু পানির গ্লাসে ড্র’প আকারে ছেড়ে দিন খাঁ’টি ম’ধু হবে ড্র’প অবস্থায়ই গ্লা’সের নিচে চলে যাবে