শ’ক্তি’শা’লী এই ফ’ল স’হ’বা’সে বা’ড়া’বে ক’য়ে’কগু’ন উ’ত্তে’জ’না!

বেশির ভাগ মানুষ আছেন যারা স’মস্যা নিয়ে খোলাখুলি আলোচানা ক’রতে চান না। আর এমনকী’, সং’ক্রা’’’ন্ত স’মস্যা দেখা দিলে ডা’ক্তারের কাছে যেতেও অনেক সময় অ’নিহা দেখা দেয় ৷কিন্তু জা’নেন কী’ বিশেষজ্ঞরা বলছেন,

আমা’দের প্রকৃতিতেই এমন অনেক জি’নিস আছে, যা কিনা দূ’র ক’রতে পারে স’মস্যা! আ’মেরিকার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা অনুযায়ী,

তরমুজ নাকি এ ব্যাপারে দারুণ কাজ করে, শ’ক্তির দিক থেকে অ’ক্ষম বা দু’র্বল, তাদের স’ক্ষ’মতার জন্য তরমুজই প্রাকৃতিক প্র’তিষে’ধক। অর্থাৎ তাদের এখন থেকেআর ভা’য়াগ্রার পেছনে অর্থ না ঢেলে তরমুজে আস্থা রাখলেই চলবে।

উ’চ্চমা’ত্রার প্রো’টিনসমৃ’’দ্ধ খাবার ছোলা। কাঁচা, সে’’দ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, কাঁচা আ’দার স’’ঙ্গে খেলে শরীরে একই স’’ঙ্গে

আমিষ ও অ্যা’ন্টিবায়ো’টিক যাব’’ে। আমিষ মানুষকে শ’ক্তিশা’লী ও স্বা’স্থ্যবান বানায়। আর অ্যা’ন্টিবা’য়োটিক যেকোনো অ’সুখের বিরু’’দ্ধে যু’’দ্ধ করে। জেনে নিন ছোলার কিছু স্বা’স্থ্যগু’’ণের কথা:-

ডাল হিসেবে: ছোলা পু’ষ্টিকর একটি ডাল। এটি মলিবেডনাম এবং ম্যা’’ঙ্গানিজ এর চমৎকার উৎস। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফ’লেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথে আছে আ’মিষ,

ট্রি’পট্যো’ফান, ক’পার, ফ’সফ’রাস এবং আ’য়রণ। হৃ’দরো’গের ঝুঁ’কি কমাতে: অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা দেখিয়েছেন যে খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কো’লেস্টে’রল এবং খা’রাপ কো’লেস্টে’রল এর পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্র’বণীয় এবং অ’দ্রবণীয় উভয়

ধরনের খাদ্য আঁশ আছে যা হৃদরোগে আ’ক্রা’’ন্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। আঁশ, প’টাসিয়াম, ভি’টামিন ‘সি’ এবং ভি’টামিন বি-৬ ‘হৃ’দয’ন্ত্রের স্বা’স্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ফলে হৃ’দরো’গের ঝুঁ’কি কমে যায়। এর ডাল আঁ’শসমৃ’’দ্ধ যা র’ক্তে কো’লেস্টে’রলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ৪০৬৯ মিলিগ্রাম ছোলা খায় হৃ’দরো’গ থেকে তাদের মৃ’ত্যুর ঝুঁ’কি ৪৯% কমে যায়। র’ক্তচাপ নি’য়ন্ত্রণে: আমেরিকান মে’ডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখানো হয় যে যে সকল অল্পবয়সী না’রীরা

বেশি পরিমাণে ফলিক এ’সিডযু’ক্ত খাবার খান তাদের হাইপারটেনশন এর প্রবণতা কমে যায়। যেহেতু ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফ’লিক এ’সিড থাকে সেহেতু ছোলা খেলে র’ক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এছাড়া ছোলা ব’য়সস’ন্ধি পরবর্তীকালে মেয়েদের হা’র্ট ভাল রাখতেও সাহায্য করে। র’ক্ত চলাচল:

অ’পর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা প্রতিদিন ১/২ কাপ ছোলা, শিম এবং মটর খায় তাদের পায়ের আর্টারিতে র’ক্ত চলাচল বেড়ে যায়। তাছাড়া ছোলায় অবস্থিত আইসোফ্লাভন ই’স্কেমিক স্ট্রো’কে আ’ক্রা’’ন্ত ব্যক্তিদের আ’র্টারির কা’র্যক্ষ’মতাকে বাড়িয়ে দেয়। ক্যা’ন্সার রো’ধে: কোরিয়ান গবেষকরা

তাদের গবেষণায় প্রমাণ করেছেন যে বেশি পরিমাণ ফলিক এ’সিড খাবারের সাথে গ্রহণের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যান্সার এবং রেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে নিজিদেরকে মুক্ত রাখতে পারেন। কোলেস্টেরল: ছোলা শরীরের অ’প্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগ

পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষ’তিকর নয়। প্রো’টিন, কা’র্বোহাই’ড্রেট ও ফ্যা’ট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন ভি’টামিন ও খ’নিজ লবণ। কোষ্ঠকাঠিন্যে দূর করে: ছোলায় খাদ্য-আঁশও আছে বেশ। এ আঁশ কো’ষ্ঠকা’ঠিন্য সারায়। খাবারের ‘আঁ’শ হ’জম হয় না।

এভাবেই খাদ্যনালী অতিক্রম করতে থাকে। তাই পায়খানার পরিমাণ বাড়ে এবং পায়খানা নরম থাকে। ডা’য়াবে’টিসে উপকারী: ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে: প্রায় ১৭ গ্রাম আ’মিষ বা প্রো’টিন,

৬৪ গ্রাম শ’র্করা বা কা’র্বোহা’ইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কা’র্বোহা’ইডেটের গ্লা’ইসে’মিক ই’নডে’ক্স কম। তাই ডা’য়াবেটিক রো’গীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল।

প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যা’লসি’য়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভি’টামিন এ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এছাড়া আছে ভি’টামিন বি-১, বি-২, ফ’সফ’রাস ও ম্যা’গনেসি’য়াম।

এর সবই শ’রীরের উপকারে আসে। ‘রো’গ প্র’তিরোধ করেঃ কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা আ’দার স’’ঙ্গে খেলে শরীরে আ’মিষ ও অ্যা’ন্টিবা’য়োটি’কের চাহিদা পূরণ হয়।

আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায় এবং অ্যান্টিবায়োটিক যে কোনো অসুখের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে। জ্বা’’লাপোড়া দূর করেঃ সালফার নামক খাদ্য উপাদান থাকে এই ছোলাতে।

সালফার মাথা গরম হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ের তলায় জ্বা’’লাপোড়া কমায়। মেরুদ’ণ্ডের ব্যথা দূর করেঃ এছাড়াও এতে ভিটামিন ‘বি’ও আছে পর্যা’’প্ত পরিমাণে।

ভিটামিন ‘বি’ কমায় মেরুদ’ণ্ডের ব্যথা, স্নায়ুর দুর্বলতা। ছোলা অত্যন্ত পুষ্টিকর। এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। এতে আমিষ মাংস বা মাছের পরিমাণের প্রায় সমান।

তাই খাদ্যতালিকায় ছোলা থাকলে মাছ মাংসের প্রয়োজন পরে না। ত্বকে আনে মসৃণতা। কাঁচা ছোলা ভীষণ উপকারী। তবে ছোলার ডালের তৈরি ভাজা-পোড়া খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই হজমশক্তি বুঝে ছোলা হোক পরিবারের শক্তি।