সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি ‘চুমু’

চুমু প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১০০ বছর আগে বলেছিলেন, ‘অধরের কানে যেন অধরের ভাষা’। কিন্তু এই ভাষার যে বহু’মুখী উপযোগিতা তা কি কেউ জানতো?আধুনিক গবেষণা বলছে চুমু যে শুধু প্রে’মকে মধুময় করে তাই-ই নয়, স্বাস্থ্যের পক্ষেও দারুণ উপযোগী।

১। হরমোন
চুমুর ফলে মস্তিষ্কে ক্ষরিত হয় অক্সিটোসিন, ডোপামাইন ও সেরোটোনিন হরমোন। যা আসলে শরীরে সুখানুভূতি তৈরি করে। চুমু নিয়ন্ত্রণে থাকে করটিসল যা আদতে একটি স্ট্রেস হরমোন। ফলে নিয়ন্ত্রণে থাকে মানসিক চাপও।

২। র’ক্তচাপ ও কোলেস্টেরল
চুমুর ফলে র’ক্তনালীর সম্প্রসারণ হয়। ফলে স্বাভাবিক থাকে র’ক্ত সঞ্চালন। যা উচ্চ র’ক্ত চাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। বিশেষজ্ঞরা এমনকি এ-ও জানাচ্ছেন যে চুমুতে নিয়ন্ত্রণে থাকে কোলেস্টেরলের পরিমাণও।

৩। দাঁতের সমস্যা
চুমুর ফলে মুখগহ্বরে লালা গ্রন্থির ক্ষরণ বৃদ্ধি পায় অনেকাংশে। এর ফলে দাঁতের আস্তরণ সৃষ্টিকারী পদার্থগুলো জমতে পারে না। পাশাপাশি এর ফলে দন্তগহ্বর তৈরি হতে পারে না।

৪। টানটান মুখমণ্ডল
অবিশ্বা’স্য মনে হলেও চুমুর প্রতি সেকেন্ডে ঝরে দুই থেকে তিন ক্যালোরি। বৃদ্ধি পায় বিপাক হার। মুখের ৩৪টি মাংস পেশির সংকোচন ও প্রসারণ হয় চুমু দেওয়ার সময়। কাজেই চুমু দিলে মুখের অ’তিরিক্ত মেদ ঝরে যায়।