সা’বেক প্রে’মিকা’র শা’ড়ি জ্বা’লি’য়ে সি’গা’রেট ধ’রালে’ন ঢা’বি ছা’ত্র, ভি’ডি’ও ভা’ইরা’ল

সাবেক প্রেমিকার ফিরিয়ে দেয়া শাড়ি, চিঠি, চুড়ি ইত্যাদি পুড়িয়ে দিয়েছেন মো. শাহিন নামের এক তরুণ। এ ঘটনার একটি ভিডিও করে ফেসবুকে আপলোড করেন তিনি।

পরবর্তীতে যা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, শাড়ির আগু’ন থেকে সিগারেট জ্বা’লিয়ে ধূমপান করছেন মো. শাহিন। ভিডিওর স’ঙ্গে একটি স্ট্যাটাসও জুড়ে দিয়েছেন ঐ তরুণ। স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, যে আঁচল দিয়া একদিন খাবার খাইয়ে মুখ মুছে দিয়েছিল, সেই আঁচলে আজ নিজ হাতে আগু’ন লাগিয়েছি। সেই একই জলন্ত আঁচলের আগু’ন দিয়া সিগারেট ধ’রানোর যন্ত্রণাটা তুমি বুঝবেনা,প্রিয়তমা।

প্রেমিকার শাড়ি জ্বা’লিয়ে সিগারেট ধ’রালেন ঢাবি ছাত্রজীবনের প্রথম যতটুকু আবেগ দিয়া চিঠিটা লিখেছিলাম, কুরিয়ারের মাধ্যমে সেই চিঠি,শাড়ি, চুড়ি, মালা,হৃদয়ের আঁচড় দিয়ে আকাঁ ছবি গু’লো ফেরত দেওয়া ছিল ততটাই ঘৃণামিশ্রিত তোমা’র। দেখা করার ভয়ে আজিমপুর থেকে মহসিন হলে কুরিয়ার করলা। শেষ দেখাটাও দিলানা। অথচ এই মহসিন হলের মাঠের প্রত্যেকটা দুর্বাও আমা’দের দুজনকে চেনে।

যে আগু’নটা জ্বলছে, সেটা আমা’র বুকে জ্বলা তোমা’র দেয়া অবহেলা আর যন্ত্রণার বাহ্যিক আর্তচিৎকার। সুখের সন্ধান করতে গিয়ে আমাকে বলির পাঠা বানিয়ে সুখ যদি পাও,সুখে থাক প্রিয়তমা। আর পিছু ডাকবো না তোমায়,বলবো না আর কেমন আছো, বলবো শুধু সুখেই থাক, সুখ নিয়েই বাঁচো।।

ব্যস্ত এ শহরের অলিগলিতে যদি হয়ে যায় দেখা, জিজ্ঞেস করো’না কেমন আছেন? জানবে শুধু হাহাকার নিয়ে বেঁচে আছি আমি নাটোরের বনলতা সেন। বেকারত্বের কাছে হেরে গেল বহু বছরের ভালবাসা, চুকে গেল জীবনের সব লেনদেন।।

মোঃ শাহিন নামের ঐ তরুণের আইডিতে গিয়ে দেখা যায় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি বিভাগের ছাত্র।