বিয়ে বাড়িতে মাংস খাওয়া নিয়ে নববধুকে তালাক, পরদিন ফের বিয়ে

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস বেশি খাওয়ায় বরপক্ষের লোকজনকে মারধরের অভিযোগে নববধূকে তালাক দেওয়ার পর আবারও বিয়ে করেছেন বর।

রবিবার বিয়ের রাতেই বর ও কনের তালাক হয়। সোমবার পরিবারের সিদ্ধান্তে আবারও তাদের বিয়ে হয়।জানা গেছে, রবিবার চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার বদরগঞ্জ দশমিপাড়ার রহিম আলীর ছেলে সবুজের সঙ্গে একই এলাকার নজরুল ইসলামের মেয়ে সুমি খাতুনের বিয়ের অনুষ্ঠান হয়।

এদিন সন্ধ্যায় বরপক্ষের লোকজনকে খেতে দেওয়া হয়। বর সবুজের সঙ্গে খেতে বসেন তার বন্ধুসহ আত্মীয়-স্বজন। খাওয়া শেষ হওয়ার মুহূর্তে বরপক্ষের লোকজন বেশি মাংস চাইলে কনেপক্ষের লোকজন আপত্তি করেন।

এতে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উত্তেজনা শুরু হলে কনেপক্ষের লোকজন বরপক্ষের তিন জনকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী গ্রামের মিঠু মিয়া জানায়, বরপক্ষের লোকজন ভাত না খেয়ে বারবার শুধু মাংস চাচ্ছিলেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

একপর্যায়ে মারামারি হয়। পরে ওই রাতেই অনুষ্ঠানে বরপক্ষের লোকজনকে মারধর করার কারণে নববধূকে তালাক দিয়েছেন বর।

কুতুবপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলী আহমেদ হাসানুজ্জামান বলেন, ‘বিয়েবাড়িতে বারবার মাংস চাওয়ায় কনেপক্ষের লোকজন বরপক্ষের তিন জনকে পিটিয়েছেন।

ওই দিন রাতেই দুপক্ষের উপস্থিতিতে বিয়েবিচ্ছেদ ঘটে। পরদিন সোমবার সুমির সঙ্গে সবুজের আবারও বিয়ে হয়।’ উল্লেখ্য, ঝিনাইদহের হলিধানি গ্রামের রহিম আলীর ছেলে প্রবাসী সবুজের সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বদরগঞ্জ দশমিপাড়ার এক তরুণীর মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

২০১৯ সালে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। সম্প্রতি সবুজ দেশে ফিরলে রবিবার আনুষ্ঠানিকতা শেষে নববধূকে তুলে নেওয়ার কথা ছিল।