বিয়ের প্রলোভনে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন, গ্রামবাসীর কাছে ধরা

গজারিয়ায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে বাউশিয়া ইউনিয়নের পুরান বাউশিয়া গ্রামের মৃত হযরত আলী ভূঁইয়ার ছেলে সেলিম ভূঁইয়ার (৪০) বিরুদ্ধে। সেলিম তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাউশিয়া বহুমুখী সমিতির মার্কেটের জেনারেটর রুমে গত সোমবার (১৫জুলাই) দুপুর থেকে একটি মেয়েকে তালাবদ্ধ করে রাখে, বিষয়টি জানাজানি হলে ওই মার্কেটের সভাপতি হাফিজ আহমদ প্রধানসহ অন্যান্যরা রাত ৯টায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে বিচারের আশ্বাস দিয়ে চলে যেতে বলেন। মেয়েটির লাজ-শরমের ভয়ে সেখান থেকে চলে যায়।

পরে মেয়েটি কোন বিচার না পেয়ে বুধবার (১৭জুলাই) সকালে বাংলাদেশ মানবাধিকার গজারিয়া শাখায় এসে, বিগত ৩ বছর যাবৎ সেলিম বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধ ভাবে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপনের বিচার চেয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। মেয়েটি বলেন, দিনের পর দিন সে আমাকে ফুসলিয়ে আনেক কিছু করেছে। পাওনা টাকার জন্য আটকে রাখলে তো লোকজন জানিয়ে আমাকে আটকে রাখত! সে আমার কাছে কি পাবে? আমি তো আমার সব কিছু হারিয়েছি তার কাছে! একটা বিবাহিত ছেলের কাছে! আমি যদি তাকে না পাই এই জীবন আমি চাইনা! আমার কিছু হয়ে গেলে তার জন্য দায়ী হবে সে।

এ বিষয়ে মার্কেটের সভাপতি হাফিজ আহমদ প্রধান বলেন সেলিম একটি মেয়েকে আটকে রাখার খবর পেয়েছি তার বিচার করা হবে। এ ঘটনায় গজারিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার আহমদ ফরাজী বলেন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনৈতিক আচরণ মেনে নেওয়া যায়না, তার উপযুক্ত বিচার হওয়া প্রয়োজন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সেলিম বলেন পাওনা টাকা আদায়ের জন্য মেয়েটিকে আটকে রেখেছি। গাজারিয়া শাখা মানবাধিকার সভাপতি এস এম নাসির উদ্দিন বলেন, সেলিম মেয়েটিকে ফুঁসলিয়ে কৌশলে এনে তাকে ওখানে আটকে রাখে, মেয়েটির ভাগ্য ভালো সেখান থেকে বেঁচে ফিরেছে, সেলিম এর আগেও এ ধরনের অপকর্ম করেছেন বলে তিনি জানান। স্থানিয়রা জানায় এই র্মাকেটে সেলিমের দুইটি দোকান একটির নাম তামিম খেলাঘর অন্যটি জেনারেটর রাখে সেখানেই মেয়েটিকে আটকে রাখা হয়েছিল।