একজন বিসিএস ক্যাডার হয়ে সরকারি চাকরি করে দেশের মানুষের সেবা করব ও হজ পালনে মক্কায় যাবো: সামিয়া

মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেয়া সামিয়া আক্তার সূচনা। এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়ার পর এবার রংপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। স্বপ্ন তার বিসিএস ক্যাডার হওয়ার।

সামিয়া কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কুটিচন্দ্রখানা গ্রামের এনজিও কর্মী আব্দুস সোবহানের মেয়ে। বুধবার এইচএসসির ফলাফল শোনার পর আনন্দে রংপুর থেকে বিকেলে তার গ্রামের বাড়িতে এসে স্বজনদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন।

সামিয়া বলেন, আমার স্বপ্নকে সামনে রেখে মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া চালাচ্ছি। আল্লাহ আমার স্বপ্ন পূরণে রহমত করছে। আমি আল্লাহর রহমত ও আমার চেষ্টায় ২০১৭ সালে ফুলবাড়ী জছিমিঞা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করেছি। এবার রংপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করলাম।

সামিয়া তার স্বপ্ন নিয়ে বলেন, আমি এখন একটি ভালো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে চাই। উচ্চশিক্ষা লাভের পর ভবিষ্যতে একজন বিসিএস ক্যাডার হয়ে সরকারি চাকরি করে দেশের মানুষের সেবা করব ও হজ পালনে মক্কায় যাবো। তার এ স্বপ্ন পূরণে দেশবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

তার গ্রামের বাসিন্দা আরিফিন মোস্তারী জানান, নিভৃত গ্রাম থেকে বেড়ে উঠছে সামিয়া। সে দুঃসাধ্যকে জয় করছে। গ্রামের মেয়ে হয়ে এসএসসিতে ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারায় তাকে নিঃসন্দেহে মেধাবী বলতে হবে। সূচনা আমাদের এলাকার মানুষের মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমি সূচনার মঙ্গল কামনা করছি।

সামিয়ার বাবা আব্দুস সোবহান ও মা মন্জুরা ইয়াছমিন বলেন, আমাদের একমাত্র মেয়ে সামিয়ার এ কৃতিত্বে আম*রা তার অভিবাবক হয়ে গর্ববোধ করছি। গ্রামের নিভৃত এলাকায় সে জন্ম নেয়ার পরও এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করে আমাদের ও গ্রামবাসীর মুখ উজ্জ্বল করেছে। আম*রা তার সামনের দিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে ক*ষ্ট করে হলেও চেষ্টা চালিয়ে যাবো।